জর্ডানের উত্তরপূর্বাঞ্চলের আল-রুকবান এলাকায় অবস্থিত একটি মার্কিন সেনানিবাসে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে কয়েকজন মার্কিন সেনাকে হত্যার দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) স্থানীয় সময় সকালে দেওয়া এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, ‘অপারেশন নাসর ২’-এর অংশ হিসেবে ‘আগ্রাসনকারী’ মার্কিন বাহিনীকে লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়েছে। তাদের দাবি, আল-রুকবান এলাকায় মার্কিন সেনাদের একটি আবাসিক কমপ্লেক্সে হামলা চালিয়ে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সেনাকে হতাহত করা হয়েছে।
বিবৃতিতে আইআরজিসি আরও দাবি করে, অভিযানে তারা সফল হয়েছে এবং হামলায় বহুসংখ্যক মার্কিন সেনা নিহত হয়েছে।
তবে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত হামলার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র বা জর্ডান—কোনো পক্ষই আনুষ্ঠানিকভাবে আইআরজিসির এ দাবির সত্যতা নিশ্চিত বা অস্বীকার করেনি।
উল্লেখ্য, ইরানের পরমাণু কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সংঘাত শুরু হয়। প্রায় ৪০ দিন লড়াই চলার পর ৭ এপ্রিল দুই দেশ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়। পরে ১৭ জুন পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইসলামাবাদে একটি সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান।
তবে গত ৫ জুলাই হরমুজ প্রণালিতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুটি তেলবাহী ট্যাংকারে ড্রোন হামলার জন্য আইআরজিসিকে দায়ী করা হয়। এর জবাবে ৭ জুলাই থেকে ইরানের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনায় ধারাবাহিক বিমান হামলা শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টকম।
এর পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় মধ্যপ্রাচ্যে বিভিন্ন মার্কিন সামরিক ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইরান। ফলে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ও সংঘাত এখনও অব্যাহত রয়েছে।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









