রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬, ১৬ ফাল্গুন ১৪৩২

The Daily Adin Logo
The Daily Adin Logo

ভারতের যৌনপল্লিতে ১১ বাংলাদেশি নারী উদ্ধার

প্রকাশিত: ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১১:৫৫ এএম

আপডেট: ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১১:৫৫ এএম

ভারতের যৌনপল্লিতে ১১ বাংলাদেশি নারী উদ্ধার

ভারতের মহারাষ্ট্র রাজ্যের পুনে শহরের বুধওয়ার পেথ এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন যৌনপল্লি থেকে ১১ জন বাংলাদেশি নারীকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।

কিছুদিন আগে ওই এলাকার একটি যৌনপল্লিতে জোরপূর্বক দেহ ব্যবসায় বাধ্য হওয়া এক নারী এক পুলিশ কনস্টেবলের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ আনেন। সেই ঘটনার প্রায় এক মাস পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে পুনে সিটি পুলিশ একযোগে অভিযান চালায়।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে, গত সাত দিনের মধ্যে এটি ছিল দ্বিতীয় বড় অভিযান। এর আগে ১২ ফেব্রুয়ারি একই এলাকা থেকে দুজন বাংলাদেশি নারী ও কয়েকজন নাবালিকাকে উদ্ধার করা হয়েছিল।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপপুলিশ কমিশনার (জোন-১) ঋষিকেশ রাওয়ালের নেতৃত্বে প্রায় ৭০০ সদস্যের একটি দল বুধওয়ার পেথের বিভিন্ন ভবন ও যৌনপল্লিতে তল্লাশি চালায়। অবৈধভাবে অবস্থানরত বাংলাদেশি নারী এবং জোরপূর্বক দেহব্যবসায় নিযুক্ত নাবালিকাদের শনাক্ত করাই ছিল অভিযানের মূল লক্ষ্য।

পুনে পুলিশ কমিশনার অমিতেশ কুমার জানান, যেসব ভবনে বাংলাদেশি নারীদের অবৈধভাবে আটকে রেখে দেহ ব্যবসায় বাধ্য করা হয়েছে, সেগুলো সিলগালা করার প্রক্রিয়া শুরু হবে। অনৈতিক পাচার (প্রতিরোধ) আইনের আওতায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হবে। পাশাপাশি উদ্ধার হওয়া নারীদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়াও দ্রুত শুরু করা হচ্ছে।

এর আগে গত বছরের অক্টোবরে পুনের কাত্রজ এলাকায় আটকে রাখা দুই বাংলাদেশি তরুণীকে উদ্ধার করে পুলিশ। তাঁদের একজন সরাসরি পুলিশ কন্ট্রোল রুমে ফোন করে সাহায্য চান। পরে আম্বেগাঁও-পাঠার এলাকা থেকে আরেকজনকে উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, ‘বিউটি পারলারে চাকরি’র প্রলোভন দেখিয়ে তাঁদের বাংলাদেশ থেকে ভারতে নিয়ে এসে দেহব্যবসার চক্রে জড়ানো হয়।

এই ঘটনায় ধনকাওয়াদি এলাকার বাসিন্দা রজু পাটিলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আদালত তাঁকে তিন দিনের পুলিশ হেফাজতে পাঠিয়েছে। পাচারচক্রে জড়িত থাকার সন্দেহে তাঁর স্ত্রীকেও খোঁজা হচ্ছে।

পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বুধওয়ার পেথ, কাত্রজ ও আম্বেগাঁও এলাকায় গত কয়েক মাসে একই ধরনের একাধিক ঘটনা সামনে এসেছে। ভুয়া চাকরির বিজ্ঞাপন, অননুমোদিত এজেন্ট ও স্থানীয় দালালদের সমন্বয়ে একটি আন্তসীমান্ত পাচার নেটওয়ার্ক সক্রিয় রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই চক্রের মূল হোতাদের শনাক্ত করে ভবিষ্যতে এমন প্রতারণা প্রতিরোধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে পুলিশ।

টিআর

Advertisement
এদিনের সব

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মো. সাইদুল ইসলাম সাজু
নির্বাহী সম্পাদক: খন্দকার মোজাম্মেল হক

শরীয়তপুর প্রিন্টিং প্রেস ২৮/বি, টয়েনলি সার্কুলার রোড, মতিঝিল-১০০০, ঢাকা থেকে মুদ্রিত

যোগাযোগ করুন

টাওয়ার-এ (২য় তলা), হাউস-১৩, রোড-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩।

০২-২২৬৬০৩৩৫২

০১৮৯৭-৬৬৪৬৫৬

ইমেইল : dailyadinbd@gmail.com

আমাদের সোশ্যাল মিডিয়া

facebookyoutubetiktok

© স্বত্ব ২০২৬, দৈনিক এদিন

Design & Developed byBongosoft Ltd.