লেবাননের পূর্বাঞ্চল ও দক্ষিণে ইসরাইলের বিমান ও ড্রোন হামলায় অন্তত ১২ জন প্রাণ হারিয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে। নিহতদের মধ্যে সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ-এর একজন কমান্ডারও রয়েছেন বলে জানা গেছে।
লেবাননের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ন্যাশনাল নিউজ এজেন্সির তথ্য উদ্ধৃত করে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে, পূর্বের বেকা উপত্যকা অঞ্চলে একটি ভবনে বিমান হামলায় প্রথমে ছয়জন নিহত ও দুই ডজনের বেশি মানুষ আহত হন। পরে মৃতের সংখ্যা ১০ ছাড়িয়ে যায় এবং আহতের সংখ্যা অন্তত ৩০এ পৌঁছায়। আহতদের আশপাশের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
বেকা গভর্নরেটের রিয়াক শহরের যে ভবনটিতে হামলা হয়, সেখানে ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে জীবিতদের খোঁজে উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাচ্ছেন উদ্ধারকর্মীরা।
ইসরাইলি সামরিক বাহিনী দাবি করেছে, বালবেক এলাকায় হিজবুল্লাহর একটি কমান্ড অবকাঠামো লক্ষ্য করে এই আঘাত হানা হয়েছে। তবে গোষ্ঠীটির একটি সূত্র বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে তাদের একজন সামরিক কমান্ডার রয়েছেন।
এর আগে শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দক্ষিণ লেবাননের সাইদন শহরের উপকণ্ঠে অবস্থিত আইন আল-হিলওয়ে শরণার্থী শিবিরে ড্রোন হামলায় অন্তত দু’জন নিহত হন বলে জানায় দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় । শিবিরের হিত্তিন এলাকায় আঘাত হানে ড্রোনটি, এতে একটি ভবন গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
ইসরাইলি বাহিনী এক বিবৃতিতে বলেছে, যুদ্ধবিরতি বারবার লঙ্ঘনের প্রতিক্রিয়ায় তারা একটি হামাস কমান্ড সেন্টার লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। অন্যদিকে হামাস অভিযোগ করেছে, হামলায় বেসামরিক মানুষের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
এনএনএ জানিয়েছে, যে ভবনটি আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তা আগে শিবিরের নিরাপত্তা তদারকির যৌথ ফিলিস্তিনি বাহিনীর ব্যবহৃত ছিল বর্তমানে সেখানে খাদ্য সহায়তা বিতরণের রান্নাঘর পরিচালিত হচ্ছিল।
সাম্প্রতিক হামলাগুলো লেবানন-ইসরাইল সীমান্তে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা বাড়িয়েছে।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









