ইতালিতে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি ও সরকারি সেবার মান নিয়ে প্রতিবাদ বিক্ষোভ সহিংসতায় রূপ নিয়েছে। দেশটির তুরিন ও বোলোনিয়াসহ একাধিক শহরে বিক্ষোভের পর রোববার মিলানে দোকানপাটে লুটপাট ও ভাঙচুরের সন্দেহে ৬০ জনের বেশি বিক্ষোভকারীকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনিবার ইতালির বিভিন্ন শহরে এসব বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। রোববারও মিলানে বিক্ষোভ অব্যাহত ছিল। বিক্ষোভের সময় কিছু লোককে দোকানের জানালা ও প্রবেশপথ ভাঙচুর করে পোশাকসহ বিভিন্ন পণ্য নিয়ে পালিয়ে যেতে দেখা যায়। এ সময় পুলিশকে কাঁদানে গ্যাস ছুড়তেও দেখা গেছে।
ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিক্ষোভের সময় সহিংসতার সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, ‘বিক্ষোভ করা অধিকার। কিন্তু আমাদের শহরগুলোকে যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত করা নয়।’

এদিকে প্রতিবেশী ফ্রান্সেও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি ও বিদ্যালয়গুলোর অবনতিশীল পরিস্থিতির প্রতিবাদে বিক্ষোভ সহিংস রূপ নিয়েছে। শনিবার সেখানে সরকারি ভবনে আগুন দেওয়া ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় দুই হাজার ৩০০ জনের বেশি মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
চলতি মাসে ইউরোপের বেলজিয়াম ও আলবেনিয়াসহ বিভিন্ন দেশেও বড় ধরনের বিক্ষোভ হয়েছে। জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি ও জনসেবার মান নিয়ে অসন্তোষ থেকে সৃষ্ট এই বিক্ষোভ আরও ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে উদ্বেগ বাড়ছে।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









