ব্রাজিলে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার ভোটে মুখোমুখি হয়েছেন বামপন্থী প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা ও কট্টর ডানপন্থী ফ্লাভিও বলসোনারো। ৪ অক্টোবর প্রথম দফার ভোটে লুলাকে পেছনে ফেলেছিলেন ফ্লাভিও। এরপর লুলার সমর্থকেরা বড় আকারে মাঠে নামেন। চতুর্থবারের মতো প্রেসিডেন্ট হওয়ার লক্ষ্য পূরণে শেষ মুহূর্তে কয়েকটি পদক্ষেপও নিয়েছেন লুলা।
২৫ অক্টোবরের এই নির্বাচনকে ব্রাজিলের এ বছরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভোট হিসেবে দেখা হচ্ছে। আগামী ৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পাশাপাশি এই ভোটের প্রভাবও দেশটির সীমানা ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে পড়তে পারে।
এই নির্বাচনে ব্রাজিলের ভোটারদের সামনে রয়েছে পরস্পরবিরোধী দুটি রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি। একদিকে লুলা—যার রাজনৈতিক অবস্থানের কেন্দ্রে রয়েছে সামাজিক অগ্রগতি, পরিবেশ সুরক্ষা, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান রক্ষা, জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও বহুপক্ষীয় সহযোগিতা। অন্যদিকে ফ্লাভিও বলসোনারো—সাবেক প্রেসিডেন্ট জইর বলসোনারোর ছেলে, যিনি ২০১৯ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট ছিলেন। ফ্লাভিও অপরাধ দমনে কঠোর নিরাপত্তানীতি, বাজারমুখী অর্থনৈতিক কর্মসূচি এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের পক্ষে।
ফ্লাভিওর জয় হলে দক্ষিণ আমেরিকার রাজনৈতিক ভারসাম্যে বড় পরিবর্তন আসতে পারে। প্রতিবেদনটির বিশ্লেষণ অনুযায়ী, উরুগুয়ে ছাড়া এ অঞ্চলের বাকি দেশগুলো ওয়াশিংটনের প্রভাববলয়ের আরও কাছাকাছি চলে যেতে পারে এবং কট্টর ডানপন্থী রাজনীতির অবস্থান শক্তিশালী হতে পারে।
৪ অক্টোবর প্রথম দফার ভোটে ফ্লাভিও পেয়েছিলেন ৪৭ শতাংশ ভোট। লুলার পক্ষে ভোট পড়েছিল ৪৫ শতাংশ। একই দিনে অনুষ্ঠিত আইনসভা নির্বাচনেও ফ্লাভিওর রাজনৈতিক শিবির উল্লেখযোগ্য সাফল্য পায়। এতে বামপন্থীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়।
এর প্রতিক্রিয়ায় লুলার ওয়ার্কার্স পার্টির (পিটি) লাল পোশাক পরা সমর্থকেরা দেশের বিভিন্ন শহরের রাস্তায় নেমে আসেন। হাতে প্ল্যাকার্ড ও লুলার ছবি-সংবলিত স্টিকার নিয়ে তারা ভোটারদের দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান। প্রথম দফায় ভোট দেননি প্রায় ৩ কোটি ৩০ লাখ মানুষ। এই ভোটারদের কেন্দ্রে আনা এবং সামাজিক অধিকার ও আমাজন বন রক্ষার পক্ষে জনসমর্থন ধরে রাখাই ছিল তাদের প্রচারের অন্যতম লক্ষ্য।
নির্বাচনটি তাই শুধু ক্ষমতার পালাবদলের প্রশ্ন নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে ব্রাজিলের সামাজিক নীতি, পরিবেশ সংরক্ষণ, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভবিষ্যৎ। লুলা ও ফ্লাভিওর ভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি দেশটির অভ্যন্তরীণ নীতির পাশাপাশি দক্ষিণ আমেরিকার বৃহত্তর রাজনৈতিক দিকনির্দেশনাকেও প্রভাবিত করতে পারে।লুলা–ফ্লাভিওর লড়াইয়ে উত্তপ্ত ব্রাজিল
ব্রাজিলে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার ভোটে মুখোমুখি হয়েছেন বামপন্থী প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা ও কট্টর ডানপন্থী ফ্লাভিও বলসোনারো। গত ৪ অক্টোবর প্রথম দফার ভোটে লুলাকে পেছনে ফেলেছিলেন ফ্লাভিও। এরপর লুলার সমর্থকেরা বড় আকারে মাঠে নামেন। চতুর্থবারের মতো প্রেসিডেন্ট হওয়ার লক্ষ্য পূরণে শেষ মুহূর্তে কয়েকটি পদক্ষেপও নিয়েছেন লুলা।
২৫ অক্টোবরের এই নির্বাচনকে ব্রাজিলের এ বছরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভোট হিসেবে দেখা হচ্ছে। আগামী ৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পাশাপাশি এই ভোটের প্রভাবও দেশটির সীমানা ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে পড়তে পারে।
এই নির্বাচনে ব্রাজিলের ভোটারদের সামনে রয়েছে পরস্পরবিরোধী দুটি রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি। একদিকে লুলা—যার রাজনৈতিক অবস্থানের কেন্দ্রে রয়েছে সামাজিক অগ্রগতি, পরিবেশ সুরক্ষা, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান রক্ষা, জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও বহুপক্ষীয় সহযোগিতা। অন্যদিকে ফ্লাভিও বলসোনারো—সাবেক প্রেসিডেন্ট জইর বলসোনারোর ছেলে, যিনি ২০১৯ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট ছিলেন। ফ্লাভিও অপরাধ দমনে কঠোর নিরাপত্তানীতি, বাজারমুখী অর্থনৈতিক কর্মসূচি এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের পক্ষে।

ফ্লাভিওর জয় হলে দক্ষিণ আমেরিকার রাজনৈতিক ভারসাম্যে বড় পরিবর্তন আসতে পারে। প্রতিবেদনটির বিশ্লেষণ অনুযায়ী, উরুগুয়ে ছাড়া এ অঞ্চলের বাকি দেশগুলো ওয়াশিংটনের প্রভাববলয়ের আরও কাছাকাছি চলে যেতে পারে এবং কট্টর ডানপন্থী রাজনীতির অবস্থান শক্তিশালী হতে পারে।
গত ৪ অক্টোবর প্রথম দফার ভোটে ফ্লাভিও পেয়েছিলেন ৪৭ শতাংশ ভোট। লুলার পক্ষে ভোট পড়েছিল ৪৫ শতাংশ। একই দিনে অনুষ্ঠিত আইনসভা নির্বাচনেও ফ্লাভিওর রাজনৈতিক শিবির উল্লেখযোগ্য সাফল্য পায়। এতে বামপন্থীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়।
এর প্রতিক্রিয়ায় লুলার ওয়ার্কার্স পার্টির (পিটি) লাল পোশাক পরা সমর্থকেরা দেশের বিভিন্ন শহরের রাস্তায় নেমে আসেন। হাতে প্ল্যাকার্ড ও লুলার ছবি-সংবলিত স্টিকার নিয়ে তারা ভোটারদের দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান। প্রথম দফায় ভোট দেননি প্রায় ৩ কোটি ৩০ লাখ মানুষ। এই ভোটারদের কেন্দ্রে আনা এবং সামাজিক অধিকার ও আমাজন বন রক্ষার পক্ষে জনসমর্থন ধরে রাখাই ছিল তাদের প্রচারের অন্যতম লক্ষ্য।
নির্বাচনটি তাই শুধু ক্ষমতার পালাবদলের প্রশ্ন নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে ব্রাজিলের সামাজিক নীতি, পরিবেশ সংরক্ষণ, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভবিষ্যৎ। লুলা ও ফ্লাভিওর ভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি দেশটির অভ্যন্তরীণ নীতির পাশাপাশি দক্ষিণ আমেরিকার বৃহত্তর রাজনৈতিক দিকনির্দেশনাকেও প্রভাবিত করতে পারে।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









