ইসরায়েল ইরানে ‘প্রি অ্যাম্পটিভ’ হামলা চালিয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে এ কথা জানানোর পাশাপাশি ইসরায়েলজুড়ে ‘বিশেষ ও স্থায়ী জরুরি অবস্থা’ জারিরও ঘোষণা দেন তিনি, বলেছে বিবিসি।
এদিকে আল জাজিরা জানিয়েছে, তাদের প্রতিবেদকরা ইরানের রাজধানী তেহরানের একাধিক জায়গায় বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছে এবং ধোঁয়া দেখতে পেয়েছে।
ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ব টেলিভিশন চ্যানেলের সংবাদেও ‘তেহরানে বিস্ফোরণ ঘটেছে’ বলে সম্প্রচার করা হয়েছে— তবে এ ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু উল্লেখ করা হয়নি। সূত্রের বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট জানিয়েছে তেহরানের কেন্দ্রস্থলে আঘাত হেনেছে ক্ষেপণাস্ত্র।
একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র ইউনিভার্সিটি স্ট্রিট ও তেহরানের জামহুরি এলাকায় আঘাত হেনেছে বলে জানিয়েছে ইরানের সংবাদমাধ্যম ফারস।

সকালে এক বিবৃতিতে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে দেশজুড়ে ‘বিশেষ ও স্থায়ী জরুরি অবস্থা’ ঘোষণা করেছেন।
ইরানি সাংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, তেহরানে তিনটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।
ইরানের ফার্স নিউজ এজেন্সি জানায়, তারা খবর পেয়েছে, ইরানের রাজধানী তেহরানের রিপাবলিক এলাকায় বেশ কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে।
ইরানের সরকারের পক্ষ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে এ ব্যাপারে কোনো বিবৃতি কিংবা বার্তা দেওয়া হয়নি; তবে ইসরায়েল কাৎজ ইতোমধ্যে দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারির নির্দেশ দিয়েছেন। সতর্কতামূলক সাইরেনও বাজানো হয়েছে। সাইরেন বাজানোর কারণ ব্যাখ্যা করে এক বিবৃতিতে বিবৃতিতে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, ‘ইসরায়েল রাষ্ট্রের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের সম্ভাবনা সম্পর্কে জনসাধারণকে প্রস্তুত করার জন্য সতর্কতা হিসেবে এই সাইরেন বাজানো হয়েছে।’
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইতোমধ্যে তেহরানের কিছু ভিডিও পোস্ট করা হয়েছে। সেসব ভিডিওতে দেখা গেছে, তেহরানের কেন্দ্রীয় এলাকার বিভিন্ন ভবন তেকে আগুনে কালো ধোঁয়ার কুন্ডুলি উঠছে।
সূত্রের বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস জানিয়েছে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির দপ্তরের কাছে আঘাত হেনেছে ইসরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র।
সূত্র : দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









