ইরানের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ইসরায়েলের হামলায় ৫১ শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে ৬০ জন।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনা এ খবর জানিয়েছে।
ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় হরমোজগান প্রদেশের মিনহাব শহরে এ হামলা হয়েছে বলে জানানো হয়।
এর আগে, ইরানের বিভিন্ন শহরে যৌথভাবে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। রাজধানী তেহরানজুড়ে অসংখ্য বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে এবং আগুনের আভা দেখা গেছে। ইসরায়েল আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছে যে, তারা দেশটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে।
ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম জানায়, তেহরানের উত্তরের সৈয়দ খন্দান এলাকাতেও বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মতে, ইসরায়েলের ওপর সম্ভাব্য হুমকি দূর করতেই শনিবার সকালে ইরানে একটি প্রতিরোধমূলক হামলা চালানো হয়েছে।
এ দিকে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার লক্ষ্য হলো ‘ইরানি শাসনের পক্ষ থেকে আসা আসন্ন হুমকিগুলো নির্মূল করা’।
তিনি বলেন, ‘অল্প কিছুক্ষণ আগে, মার্কিন সামরিক বাহিনী ইরানে বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরু করেছে। আমাদের উদ্দেশ্য হলো ইরানি শাসনের হুমকিগুলো নির্মূল করার মাধ্যমে মার্কিন জনগণকে রক্ষা করা।’
এরপর, ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা শুরু করে ইরান। দেশটির ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এ তথ্য জানিয়েছে।
আইআরজিসি এক বিবৃতিতে জানায়, তারা মার্কিন-ইসরায়েলি হামলার প্রতিক্রিয়ায় ইসরায়েলের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা শুরু করেছে।
সূত্র: আল–জাজিরা


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









