ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুতে ক্ষুব্ধ বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের ব্যাপক সংঘর্ষে পাকিস্তান ও ইরানে অন্তত ২২ জন নিহত হয়েছেন।
গতকাল রোববার দেশ দুটির বিভিন্ন শহরে এই প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। বিক্ষোভকারীদের অনেকেই মার্কিন কনস্যুলেটে হামলার চেষ্টা চালিয়েছেন।
এর আগে গত রোববার সকালে খামেনিকে হত্যার তথ্য নিশ্চিত করে ইরান। তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় প্রাণ হারান।
এএফপির এক সাংবাদিক জানিয়েছেন, করাচিতে শত শত বিক্ষোভকারী মার্কিন কনস্যুলেটে প্রবেশের চেষ্টা করলে পুলিশের সঙ্গে তাঁদের সংঘর্ষ শুরু হয়। করাচি পুলিশ সার্জনের কার্যালয়ের তথ্যমতে, গতকাল সন্ধ্যা পর্যন্ত সেখানে অন্তত ১০ জন নিহত হন এবং ৭০ জনের বেশি আহত হয়েছেন। এর আগে হাসপাতালের একটি তালিকায় ৯ জনের নিহত হওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছিল, যাঁদের সবাই গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেছেন।
অপরদিকে ইরাকের রাজধানী বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসে বিক্ষোভ জানাতে গিয়ে দুজন নিহত হন।
বিক্ষোভকারীরা বাগদাদের গ্রিনজোনে ঢুকে পড়েন। ওই সময় তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়। সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস রয়েছে।
৮৬ বছর বয়সী খামেনিকে রাজধানী তেহরানে তার প্রাসাদের কমাউন্ডে বিমান হামলা চালিয়ে হত্যা করা হয়। তিনি প্রায় ৪০ বছর দেশটির সুপ্রিম লিডার ছিলেন।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









