মিশর, লেবানন ও জর্ডানের মুসলিম ব্রাদারহুড সংগঠনগুলোকে ‘সন্ত্রাসী গোষ্ঠী’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে যুক্তরাষ্ট্র । প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এক নির্বাহী আদেশে কালো তালিকাভুক্তির প্রক্রিয়া শুরুর কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) ট্রাম্প প্রশাসন জানায়, বিশ্বজুড়ে ইসরায়েলবিরোধী কার্যক্রম দমন এবং হামাসকে সমর্থনের অভিযোগের ভিত্তিতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রণালয় মিশর ও জর্ডানের মুসলিম ব্রাদারহুডকে ‘বিশেষভাবে চিহ্নিত বৈশ্বিক সন্ত্রাসী’ তালিকায় যুক্ত করেছে। অন্যদিকে, লেবাননের মুসলিম ব্রাদারহুডকে পররাষ্ট্র দপ্তর ‘বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠন’ (এফটিও) হিসেবে ঘোষণা করেছে।
মার্কিন অর্থমন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে দাবি করে, সংগঠনগুলো প্রকাশ্যে নিজেদের বৈধ নাগরিক সংগঠন বললেও গোপনে হামাসের মতো গোষ্ঠীকে সমর্থন দিচ্ছে।
এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করে মিশরের মুসলিম ব্রাদারহুডের ভারপ্রাপ্ত প্রধান সালাহ আবদেল হক বলেন, এটি ইসরায়েল ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের চাপে নেওয়া রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত, কোনও নিরপেক্ষ মূল্যায়ন নয়।
কালো তালিকাভুক্তির ফলে এসব সংগঠনকে আর্থিক বা বস্তুগত সহায়তা দেওয়া যুক্তরাষ্ট্রে বেআইনি হবে এবং তাদের সম্পদ ও লেনদেনে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে। লেবাননের সংগঠনের ক্ষেত্রে এফটিও তকমার কারণে সদস্যদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশও নিষিদ্ধ হবে।
১৯২৮ সালে হাসান আল-বান্নার প্রতিষ্ঠিত মুসলিম ব্রাদারহুড মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে সক্রিয়। তবে যুক্তরাষ্ট্রের এই সিদ্ধান্তকে মিশর সরকার স্বাগত জানিয়ে একে আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য ‘যুগান্তকারী পদক্ষেপ’ বলে মন্তব্য করেছে।



সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









