ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার বলেন, ‘‘তিনি পদত্যাগ করবেন না। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নিজের দলের পরাজয়ের দায়ভার নিচ্ছেন। তবে একইসঙ্গে নাগরিকদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করতে চান তিনি।’’
মঙ্গলবার (১২ মে) প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিট থেকে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
মন্ত্রিসভার বৈঠকে স্টারমার বলেন, ‘‘গত ৪৮ ঘণ্টা সরকারের জন্য অস্থিতিশীল ছিল। এর অর্থনৈতিক মাশুল দেশ ও সাধারণ পরিবারগুলোকে দিতে হচ্ছে।’’
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘লেবার পার্টির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী নেতাকে চ্যালেঞ্জ করার একটি সুনির্দিষ্ট প্রক্রিয়া আছে। সেটি এখনো কেউ শুরু করেনি। দেশের মানুষ শাসনকাজ চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যাশা করে। তিনি বর্তমানে সেটিই করছেন।’’
বৈঠকে স্টারমারের দেওয়া বক্তব্যটি বিশ্লেষণ করার চেষ্টা করে দ্য গার্ডিয়ান লিখেছে, ‘‘প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যটি ছিল অত্যন্ত সতর্ক ও সুচিন্তিত।’’
গত সপ্তাহে ‘অবজারভার’ পত্রিকাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে স্টারমার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, তিনি আরও ১০ বছর ডাউনিং স্ট্রিটে থাকতে চান। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এটি মার্গারেট থ্যাচারের বিখ্যাত উক্তি- ‘আমার শাসন চলতেই থাকবে’ এবং বরিস জনসনের তৃতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় থাকার পরিকল্পনার কথা মনে করিয়ে দেয়।
মন্ত্রিসভার বৈঠকে অবশ্য স্টারমার ক্ষমতায় থাকতে চাওয়ার কোনো সময়সীমার কথা উল্লেখ করেননি। বিশেষ করে আগামী সাধারণ নির্বাচনের প্রসঙ্গ নেই। তিনি বলেছেন, ‘এখনো কেউ আনুষ্ঠানিকভাবে নেতৃত্বের লড়াইয়ের ডাক দেয়নি বা চ্যালেঞ্জ জানায়নি।’ তার এই কথাতে একটি ইঙ্গিত লুকিয়ে আছে।
গার্ডিয়ান লিখেছে, এই বক্তব্যের মাধ্যমে স্টারমার পদত্যাগের ঘোষণার একটি ইঙ্গিত দিয়েছেন। নেতৃত্বের চ্যালেঞ্জ তৈরি হলে তিনি কী করবেন সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু উল্লেখ করেননি। অর্থ্যাৎ, যদি কেউ নেতৃত্বের লড়াইয়ের ডাক দেয় তাহলে তিনি পদত্যাগের ঘোষণা দিলেও দিতে পারেন।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









