সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়ালকে কেন জামিন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
রবিবার (২৮ জুন) বিচারপতি মো. আতোয়ার রহমান ও বিচারপতি বিশ্বজিৎ দেবনাথের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
এর আগে ঢাকা মহানগর আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন। পরে তিনি হাইকোর্টে জামিন চেয়ে আবেদন করেন। সেই আবেদনের শুনানি শেষে আদালত রুল জারি করেন।
গত বছরের ২৫ জুন রাজধানীর মগবাজার এলাকা থেকে কাজী হাবিবুল আউয়ালকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)। পরদিন ২৬ জুন ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মুস্তাফিজুর রহমান তার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এরপর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন।
এর আগে গত বছরের ২২ জুন শেরেবাংলা নগর থানায় দশম, একাদশ ও দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরিচালনাকারী তিনটি নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে মামলা করে বিএনপি। মামলায় সাবেক তিন প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ মোট ২৪ জনকে আসামি করা হয়।
মামলার আসামিদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ, কে এম নূরুল হুদা ও কাজী হাবিবুল আউয়াল, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ, হাসান মাহমুদ খন্দকার, এ কে এম শহীদুল হক, তৎকালীন নির্বাচন কমিশনার মো. আব্দুল মোবারক, আবু হানিফ, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) জাবেদ আলী, শাহ নেওয়াজ, রফিকুল ইসলাম, কবিতা খানম, ব্রিগেডিয়ার শাহাদাত হোসেন চৌধুরী, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আহসান হাবীব, আলমগীর হোসেন, আনিছুর রহমান, তৎকালীন পুলিশের আইজিপি জাবেদ পাটোয়ারী, তৎকালীন ঢাকা মহানগর পুলিশের কমিশনার, সাবেক এসবি প্রধান মো. মনিরুল ইসলাম, সাবেক এনএসআই প্রধান ও ঢাকা রেঞ্জের সাবেক ডিআইজি সৈয়দ নুরুল আলম এবং তৎকালীন নির্বাচন সচিব।
হাইকোর্টের রুলের পর এখন মামলাটিতে কাজী হাবিবুল আউয়ালের জামিনের বিষয়ে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া এগিয়ে যাবে।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









