রাজধানীর গুলশান-২ এলাকায় ২৭ কাঠা সরকারি সম্পত্তি আত্মসাতের অভিযোগে করা মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) আব্দুস সালাম মুর্শেদীসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
সোমবার (৬ জুলাই) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯-এর বিচারক মো. আব্দুস সালাম আসামিদের অব্যাহতির আবেদন নামঞ্জুর করে অভিযোগ গঠনের আদেশ দেন। একই সঙ্গে আগামী ১৯ আগস্ট সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করা হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আসামিপক্ষের আইনজীবী খাদেমুল ইসলাম।
এ দিন সকালে কারাগারে থাকা সালাম মুর্শেদীসহ অন্য আসামিদের আদালতে হাজির করা হয়। জামিনে থাকা আসামিরাও আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
আসামিদের পক্ষে আইনজীবী এহসানুল হক সমাজী, মাসুদ আহমেদ তালুকদার, বোরহান উদ্দীন, শাহীনুর ইসলাম, খাদেমুল ইসলামসহ কয়েকজন আইনজীবী শুনানিতে অংশ নিয়ে তাদের অব্যাহতির আবেদন জানান। শুনানি শেষে আদালত আবেদন খারিজ করে বিচার শুরুর আদেশ দেন।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন— রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান হুমায়ুন খাদেম, প্রকৌশলী এম. আজিজুল হক, সাবেক সদস্য (এস্টেট) লে. কর্নেল (অব.) এম. নুরুল হক, সাবেক পরিচালক আবদুর রহমান ভূঁঞা, সাবেক উপ-পরিচালক (এস্টেট) মো. আজহারুল ইসলাম, সাবেক তত্ত্বাবধায়ক মো. হাবিব উল্লাহ, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সাবেক সহকারী সচিব আবদুস সোবহান, সাবেক শাখা সহকারী মো. মাহবুবুল হক এবং কক্সবাজারের রামুর বাসিন্দা মীর মোহাম্মদ হাসান ও তার ভাই মীর মো. নুরুল আফছার।
অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, আসামিরা পরস্পরের যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার করে গুলশান আবাসিক এলাকার সিইএন (ডি)-২৭ নম্বর, হোল্ডিং-২৯, রোড-১০৪-এর ২৭ কাঠা সরকারি পরিত্যক্ত সম্পত্তি অবমুক্ত না করেই জালিয়াতির মাধ্যমে মিথ্যা রেকর্ড তৈরি করেন। পরে হস্তান্তরের অনুমতি ও নামজারি অনুমোদনের মাধ্যমে সরকারি সম্পত্তি আত্মসাতের সুযোগ সৃষ্টি করা হয়।
এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় মামলা করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১ অক্টোবর আব্দুস সালাম মুর্শেদীকে গ্রেপ্তার করা হয়।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









