শুরু হলো নতুন বছর। ওজন কমানোর জার্নি শুরু করতে চাইলে এখন থেকেই সচেতন হোন, আনুন খাদ্যতালিকায় পরিবর্তন। বিশেষজ্ঞদের মতে, সকালের প্রথম খাবারটি ওজন কমানোর ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রাখে। খালি পেটে সঠিক খাবার গ্রহণ করলে বিপাকক্রিয়া দ্রুত সক্রিয় হয়, শরীর প্রয়োজনীয় পুষ্টি পায় এবং ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে থাকে। ফলে ধীরে ধীরে ওজন কমানো সহজ হয়।
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী, সকালে খালি পেটে কিছু খাবার ও পানীয় নিয়মিত গ্রহণ করলে ওজন কমানোর প্রক্রিয়া আরও কার্যকর হতে পারে।
ওজন কমাতে সকালে ভেজানো আমন্ড বা আখরোট খাওয়ার কথা বলেন পুষ্টিবিদরা। এসব বাদামে প্রোটিন, ফাইবার ও স্বাস্থ্যকর চর্বি রয়েছে, যা বিপাক বাড়ায় এবং দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে। ফলে অপ্রয়োজনীয় খাওয়ার প্রবণতা কমে।
খালি পেটে আমলকির জুস পান করাও ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক। আমলকি বিপাকহার বাড়ায়, হজমশক্তি উন্নত করে এবং ক্ষুধা কমাতে সাহায্য করে। তবে আমলকির জুসে কোনো ধরনের চিনি বা মিষ্টি মেশানো যাবে না।
ব্রাজিল নাটও সকালে খালি পেটে খাওয়া যেতে পারে। এতে থাকা সেলেনিয়াম, প্রোটিন ও ফাইবার থাইরয়েডের কার্যকারিতা ঠিক রাখতে সাহায্য করে এবং হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখে। অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ এই বাদাম ওজন কমানোর ক্ষেত্রে উপকারী বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।
এ ছাড়া খালি পেটে হলুদ ও গোলমরিচ ভেজানো গরম পানি পান করলে বিপাকক্রিয়া সক্রিয় হয়। এটি শুধু ওজন কমাতে নয়, সামগ্রিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতেও সহায়ক।
চিয়া সিডের পানিও ওজন নিয়ন্ত্রণে কার্যকর একটি বিকল্প। যদিও এটি সরাসরি চর্বি পোড়ায় না, তবে ক্ষুধা কমায় এবং হজমশক্তি উন্নত করে। ফলে অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতা কমে এবং শরীর প্রয়োজন অনুযায়ী জমে থাকা ফ্যাট ব্যবহার করতে শুরু করে।
সব মিলিয়ে, নতুন বছরে ওজন কমানোর পরিকল্পনা থাকলে দিনের শুরুতেই খাবারের বিষয়ে সচেতন হওয়াই হতে পারে সফলতার প্রথম ধাপ।

সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন







