শিশুদের নিয়ে কক্সবাজার ভ্রমণের পরিকল্পনা একটু ভিন্নভাবে সাজাতে হয়। ঘুরতে গিয়ে শিশু যেন ক্লান্ত ও বিরক্ত না হয়, সেদিকে বিশেষভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
সমুদ্রসৈকত
সকাল ও বিকেল—দুই বেলাই সৈকতে সময় কাটাতে পারেন। শিশুদের নিয়ে সকালের দিকে সাগরের পানিতে নামা ভালো। বিকেলটা সৈকতে বসে কিংবা হেঁটে বেড়াতে পারেন। ভ্রমণের আগে আবহাওয়ার সতর্কসংকেত জেনে নিন। লাবণী, কলাতলী ও সুগন্ধা বিচ ঘুরে দেখতে পারেন। হঠাৎ বৃষ্টিতে শিশু যেন ভিজে না যায়, তাই সঙ্গে ছাতা রাখুন। নিরিবিলি সৈকত পেতে চাইলে যেতে পারেন পাটুয়ারটেক সৈকতে।
মেরিন ড্রাইভ রোড
এক পাশে সমুদ্র, অন্য পাশে সবুজ পাহাড়—চলতে চলতে বদলে যাবে দৃশ্য। শিশুরাও এ ভ্রমণে আনন্দ পাবে। গাড়ি বা অটোরিকশা নিয়ে ধীরে ধীরে এগোতে এগোতে সমুদ্র দেখা, মাঝপথে থেমে ছবি তোলা আর বাতাসের ছোঁয়া উপভোগ—সব মিলিয়ে মেরিন ড্রাইভ ভ্রমণ সত্যিই মুগ্ধ করবে।
রেডিয়েন্ট ফিশ ওয়ার্ল্ড
কক্সবাজারের রেডিয়েন্ট ফিশ ওয়ার্ল্ডে আছে নানা রঙের সামুদ্রিক প্রাণী, অ্যাকুয়ারিয়াম টানেল আর আলোর খেলায় সাজানো প্রদর্শনী। এগুলো শিশুদের সমুদ্রজগৎ নতুনভাবে চিনতে সাহায্য করে। কাচের টানেলের ভেতর দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে রঙিন মাছ ও সামুদ্রিক প্রাণী কাছ থেকে দেখে আনন্দ পাবে শিশুরা।
রামু বৌদ্ধবিহার
বড় বৌদ্ধমূর্তি, পুরোনো স্থাপনা ও শান্ত পরিবেশ পাওয়া যাবে রামু বৌদ্ধবিহারে। মন্দিরের ভেতর ও আশপাশ ঘুরে দেখে বৌদ্ধ স্থাপত্যের সৌন্দর্য উপভোগ এবং সুন্দর ছবি তোলার জন্য জায়গাটি অনন্য।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









