ঘুরতে যাওয়ার পরিকল্পনা করলে এখন এক নিমেষে অনলাইনে হোটেল বুকিং করে ফেলা যায়। কিছু ওয়েবসাইট/অ্যাপ ঘাটলে সস্তায়ও পাওয়া যায় হোটেল। কিন্তু গন্তব্যে গিয়ে অনেক সময়েই দেখা যায়, পছন্দ হয় না হোটেল। কিংবা যতটা আকর্নীয় অনলাইনে মনে হয় তা বাস্তবে পাওয়া যায় না। তাই বুকিংয়ের আগে কিছু বিষয় মাথায় রাখলে এ ধরনের সমস্যার সম্মুখিন হতে হবে না।
ছবিই শেষ কথা নয়
অনেক সময়ে ওয়েবসাইটে হোটেলের ছবি দেখেই বুকিং সেরে ফেলা হয়। কিন্তু ছবির সঙ্গে বাস্তবে হোটেলের ঘর মিলতে নাও পারে। তাই একাধিক ওয়েবসাইট/অ্যাপ থেকে হোটেলের ছবি দেখে নেওয়া উচিত। এ ক্ষেত্রে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা ওয়েবসাইটে পর্যটকদের পোস্ট করা ছবি দেখে নিলে সিদ্ধান্ত নিতে সুবিধা হবে।
ছোট ছোট তথ্য
ভাড়া কম পেলেই অনেকে হোটেল বুকিং করে ফেলেন কিন্তু সেখানে গিয়ে একাধিক সমস্যায় পড়তে হয়। চেক ইন এবং চেক আউট টাইম, ক্যানসেলেশন পলিসি না দেখার ফলে অনেক সময়ই বেশি টাকা খরচ হয়ে যায়। সকালের নাস্তা প্যাকেজের মধ্যে আছে কি না, এই ধরনের তথ্য আগে থেকে জেনে নেওয়া ভাল।
হোটেলের অবস্থান
ওয়েবসাইট বা অ্যাপে হোটেলের অবস্থান শহরের কেন্দ্রে বা দর্শনীয় স্থানের কাছে লেখা থাকলেও দেখা যায় হোটেলটি আসলে সুবিধাজনক জায়গায় থাকে না। ফলে সমস্যায় পড়তে হয়। তাই আগে গুগল ম্যাপে দেখে নেওয়া উচিত হোটেলটি আসলে কোথায়। পাশাপাশি হোটেলের কাছাকাছি মাকের্ট, দোকান আছে কি না দেখে নেওয়া উচিত।
পর্যটকদের মতামত
হোটেল কর্তৃপক্ষ বিজ্ঞাপনের জন্য প্রচার করবেই। সেই ফাঁদে পা না দিয়ে সুবিধা-অসুবিধা জানার জন্য পর্যটকদের রিভিউ দেখা যেতে পারে। হোটেল সম্পর্কে পর্যটকেরা কী বলছেন, তা মন দিয়ে পড়ে নেওয়া উচিত। তার ফলে কর্তৃপক্ষের দাবি কতটা সত্য, তা জানা সম্ভব।
লোভনীয় অফার
অনেক সময় অপ্রচলিত বা ভুয়া ওয়েবসাইট ক্রেতাদের আকর্ষণ করতে অবিশ্বাস্য রকমের অফার দিয়ে থাকে। এই প্রলোভনে পা দিলেই বিপত্তি। কখনও বুকিং সংক্রান্ত সমস্যা হতে পারে। আবার কখনও স্ক্যামারদের বদৌলতে টাকা হারাতে হতে পারে। জনপ্রিয় ওয়েবসাইট থেকেই হোটেল বুকিং করা উচিত। প্রয়োজনে অগ্রিম অর্থ না দিয়ে হোটেলে গিয়ে তারপর টাকা দেওয়া উচিত।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









