সালামি বা ঈদি বা ঈদিয়া হল ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার সময় একটি উপহার। সাধারণত পবিত্র ঈদুল ফিতরেই সালামি দেওয়া নেওয়ার প্রচলনটা বেশি থাকে। দুই ঈদে বড়রা ছোটদেরকে সালামি দিয়ে থাকেন। কার কাছ থেকে কত সালামি ‘আদায়’ করা যাবে...!
বর্তমানে অনলাইনেও সালামি আদায় করার প্রবণতা বেশ বেড়েছে। সালামি আদায় করে নেওয়া অত্যন্ত আনন্দের, তবে বুদ্ধি খাটিয়ে আদায় করার মজাটাও ভিন্ন। অবশ্যই সবই হতে হবে হাসি-ঠাট্টার ভেতরে, ভদ্রতার সঙ্গে। জেনে নিন সহজে ঈদ সালামি আদায় করার টিপস।
ডিজিটাল সালামি
বর্তমানে ঈদের আগে ডিজিটাল যুগ মোবাইল ব্যাংকিং বা অনলাইন ট্রান্সফারেও সালামি পাঠানোর চল বেড়েছে। তাই সরাসরি দেখা না হলেও শুভেচ্ছা জানিয়ে সালামি পাওয়ার সুযোগ থাকছে। সরাসরি দেখা না হলেও মেসেজ বা ফোনে শুভেচ্ছা জানালে অনেকেই মোবাইল ব্যাংকিংয়ে সালামি পাঠিয়ে দেন।
নির্দিষ্ট সময়ে থাকা
সালামি আদায়ের সবচেয়ে সহজ উপায় হচ্ছে সময় মতো হাজির হওয়া। ঈদের নামাজ শেষে যখন বড়রা ভালো মুডে থাকেন, তখনই সালাম দেওয়ার সেরা সময়। ঈদের নামাজ শেষে বড়দের সামনে গিয়ে হাসিমুখে সালাম দিলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই খালি হাতে ফিরতে হয় না। তবে দেরি করলে হাতছাড়া।
হাসিমুখ আর ভদ্রতা
মুখ গোমড়া করে দাঁড়িয়ে থাকলে কেউ সালামি দিতে খুব আগ্রহী হয় না। কিন্তু হাসিমুখে ঈদ মোবারক বলে সালাম দিলে বড়রাও খুশি হয়ে যান, আর সেই খুশির সঙ্গেই আসে সালামি। এক বাড়ি থেকে আরেক বাড়ি এভাবেই সালামির সম্ভাবনা বাড়ে।
সুন্দর করে মনে করিয়ে দেওয়া
অনেকে ভুলে যেতে পারেন। তখন হালকা মজার ছলে বলা যেতে পারে, আজ তো ঈদ! ইঙ্গিতটা বেশিরভাগ সময়ই কাজ করে। তবে অবশ্যই যেন সেটা অশোভন না হয়।
গ্রুপ অ্যাটাক
ছোটরা একসঙ্গে গেলে অনেক সময় বড়রা মজা করে সবাইকে সালামি দেন। এতে পরিবেশও জমে ওঠে, আর সালামিও নিশ্চিত হয়।
তবে সব কিছুর শেষে একটা কথা
সালামি আদায় মানে যেন চাপ সৃষ্টি না হয়। এটা ভালোবাসা আর আনন্দের অংশ। ভদ্রতা, আন্তরিকতা আর একটু মজার ছোঁয়া থাকলেই ঈদের সালামি আদায় হয়ে যায় খুব সহজেই।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









