মানি লন্ডারিং, সাইবার অপরাধ, অনলাইন জুয়া এবং মোবাইল আর্থিক সেবাকে (এমএফএস) ঘিরে সংঘটিত অপরাধ নিয়ন্ত্রণে যৌথভাবে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে র্যাব-৩, বাংলাদেশ ব্যাংক ও বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)।
অপরাধ দমনে পারস্পরিক তথ্য আদান-প্রদান এবং কারিগরি সহযোগিতা আরও বাড়ানোর বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দুপুরে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের পঞ্চম তলায় কাজেমী সেন্টারে র্যাব-৩, বাংলাদেশ ব্যাংক ও বিএফআইইউর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এক টাউন হল সভায় এসব বিষয়ে আলোচনা হয়।
সভায় বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক খন্দকার সিরাজুল ইসলাম, অতিরিক্ত পরিচালক মো. রবিউল ইসলাম, অতিরিক্ত পরিচালক (অব.) মেজর আবদুল্লাহ নূর ফারুক, বিএফআইইউ এবং র্যাব-৩-এর কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
র্যাব-৩-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ইন্ট অ্যান্ড মিডিয়া অফিসার) মো. মেহেদী ইমরান সিদ্দিকী জানান, সভায় ব্যাংকিং খাতের প্রাতিষ্ঠানিক ও ভৌত নিরাপত্তা জোরদার, সাইবার অপরাধ, মানি লন্ডারিং, হ্যাকিং এবং অনলাইন জুয়া প্রতিরোধে করণীয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।
তিনি বলেন, ব্যাংকিং চ্যানেল ব্যবহার করে যাতে কেউ অবৈধ অর্থ লেনদেন বা মানি লন্ডারিং করতে না পারে, সে জন্য নজরদারি আরও বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
সভায় গ্রাহকের ব্যাংক হিসাবের নিরাপত্তা বাড়াতে ইলেকট্রনিক ‘নো ইওর কাস্টমার’ (ই-কেওয়াইসি) ব্যবস্থা বাধ্যতামূলক করার বিষয়েও আলোচনা হয়। এর মাধ্যমে ভুয়া বা বেনামি হিসাব শনাক্ত ও বন্ধ করা সহজ হবে বলে মত দেন সংশ্লিষ্টরা।
এ ছাড়া সাইবার অপরাধীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে র্যাব-৩, বাংলাদেশ ব্যাংক ও বিএফআইইউর মধ্যে নিয়মিত তথ্য আদান-প্রদান এবং কারিগরি সহযোগিতা অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, এই সমন্বিত উদ্যোগ সাইবার অপরাধ ও আর্থিক অনিয়ম প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









