বিমানমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত জানিয়েছেন, বোয়িংয়ের পর সরকার এয়ারবাসের ১০টি উড়োজাহাজ কিনছে। এ নিয়ে অক্টোবরেই চুক্তি হবে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, ‘‘আমরা এয়ারবাস কিনছি। ১০টি কিনছি। ইনশাআল্লাহ, অক্টোবরে চুক্তি হয়ে যাবে। এয়ারবাসের ১০টি উড়োজাহাজ কেনার বিষয়ে আলোচনা চলছে। তবে নির্ধারিত সময়ে উড়োজাহাজ পাওয়া নিয়ে কিছুটা অনিশ্চয়তা রয়েছে। এ কারণে সরকার বিভিন্নভাবে উড়োজাহাজ সংগ্রহের বিষয়টি বিবেচনা করছে।’’
তিনি জানান, বর্তমানে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বহরে ১৯টি উড়োজাহাজ রয়েছে। এর মধ্যে দুটি প্রায় গ্রাউন্ডেড হওয়ার অবস্থায় রয়েছে। ফলে কার্যকরভাবে প্রায় ১৭টি উড়োজাহাজ দিয়ে ফ্লাইট পরিচালনা করতে হচ্ছে। আগামী কয়েক বছরের মধ্যে বর্তমান বহরের বেশ কয়েকটি উড়োজাহাজ পুরোনো হয়ে যাবে। তাই বহর বাড়ানোর পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে নতুন উড়োজাহাজ কেনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী।
বিমানমন্ত্রী বলেন, ‘‘এসব উড়োজাহাজ একসঙ্গে দেশে আসবে না। ২৫টি বোয়িংয়ের প্রথমটি আসবে ২০৩১ সালে। পর্যায়ক্রমে ২০৩৫-৩৬ সাল পর্যন্ত উড়োজাহাজগুলো দেশে আসবে।’’
তিনি জানান, বোয়িংয়ের সঙ্গে আগে ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি হয়েছিল। নতুন ১১টি নিয়ে মোট ২৫টি বোয়িং কেনার চুক্তি হয়েছে। এর মধ্যে ১৫টি ওয়াইড বডি ও ১০টি ন্যারো বডি উড়োজাহাজ। এসব উড়োজাহাজের জন্য এখনই পুরো অর্থ পরিশোধ করতে হবে না।
মন্ত্রী বলেন, ‘‘চুক্তি অনুযায়ী উড়োজাহাজ পাওয়ার পর অর্থ পরিশোধ করা হবে এবং বিমান বহর থেকে আয় করে সেই অর্থ পরিশোধের পরিকল্পনা রয়েছে।’’ দেশের এভিয়েশন খাতকে শক্তিশালী করতে বহর বাড়ানোর বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেন তিনি।
বিমানমন্ত্রী বলেন, ‘‘বর্তমানে বিদেশি এয়ারলাইনসগুলো বাংলাদেশের যাত্রী পরিবহনে বড় অংশ দখল করে আছে। জাতীয় পতাকাবাহী বিমান বর্তমানে দেশের যাত্রীদের মাত্র প্রায় ২০ শতাংশ বহন করতে পারছে। বহর বাড়ানো গেলে আরও বেশি আন্তর্জাতিক গন্তব্যে ফ্লাইট পরিচালনা করা সম্ভব হবে।’’


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









