প্রবাদ আছে, "পাপের ফসল পচবেই।" ইতিহাসের পাতায় বারবার প্রমাণিত হয়েছে যে, ক্ষমতার দাপটে অন্ধ হয়ে যারা আইন ও নৈতিকতাকে পদদলিত করে, তাদের পতন কেবল অনিবার্যই নয়, বরং তা হয় অত্যন্ত লজ্জাজনক ও কলঙ্কিত। বাংলাদেশের সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে গ্রেপ্তার হওয়া—এমনই এক ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী হিসেবে দাঁড়িয়েছে। এটি কেবল একজন ব্যক্তির গ্রেপ্তার নয়, বরং রাষ্ট্রের দীর্ঘকাল ধরে চলে আসা দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের এক বিশাল সাম্রাজ্যের পতন। জুলাই অভ্যুত্থান-পরবর্তী বাংলাদেশে যখন একটি নতুন রাষ্ট্র গঠনের রূপরেখা তৈরি হচ্ছে, তখন এই ঘটনাটি আইনের শাসনের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা পুনরুদ্ধারে একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এটি প্রমাণ করে যে, রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা ব্যক্তিগত সম্পদের ভাণ্ডার হতে পারে না এবং বিচারের দীর্ঘ হাত একসময় ঠিকই অপরাধীর ঘাড়ে এসে পড়ে।
বেনজীর আহমেদের উত্থান ছিল নাটকীয় এবং উচ্চাভিলাষী, আর তার পতন হয়েছে চরম অবমাননাকর। পুলিশ বাহিনীর সর্বোচ্চ পদে আসীন থাকাকালে তিনি নিজেকে যেন আইনের ঊর্ধ্বে এক অবিসংবাদিত সম্রাট মনে করতেন। র্যাবের মহাপরিচালক থেকে ডিএমপি কমিশনার এবং পরবর্তীতে আইজিপি—দীর্ঘ সময় ধরে তিনি ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন। প্রবাদ আছে, "ক্ষমতা মানুষকে বদলাতে পারে না, তবে তার আসল রূপটি সামনে নিয়ে আসে।" বেনজীর আহমেদের ক্ষেত্রে ক্ষমতার এই রূপটি ছিল সীমাহীন দুর্নীতি, অমানবিকতা এবং নৈতিক অবক্ষয়।
২০২১ সালে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা ছিল তার নৈতিক পতনের প্রথম বড় সংকেত। কিন্তু এরপরও তিনি ক্ষমতার মোহে এতটাই আচ্ছন্ন ছিলেন যে, দুর্নীতির পাহাড় গড়তে দ্বিধা করেননি। যখন ২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার উপক্রম হয়, তখন বেনজীররা বুঝতে পেরেছিলেন তাদের সময় ফুরিয়ে আসছে। এই ফাঁকে দেশ ত্যাগ করেন।
দুদক যখন তার বিপুল অবৈধ সম্পদের হিসাব সামনে আনল, তখন দেখা গেল এক বিশালাকার সাম্রাজ্য, যা গড়ে উঠেছিল সাধারণ মানুষের রক্ত-ঘামের টাকায়। এই সম্পদ কেবল অর্থ ছিল না, এটি ছিল জনগণের ওপর চালানো নিপীড়নের দলিল।
গত রোববার জাতীয় সংসদে ৩০০ বিধিতে দেওয়া এক বিবৃতিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বেনজীর আহমেদের গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। মন্ত্রী অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে বলেন, “এটি বাংলাদেশ পুলিশের একটি ঐতিহাসিক সাফল্য। এর মাধ্যমে আমরা বিচারহীনতার সংস্কৃতি থেকে বের হয়ে আসতে সক্ষম হব। পাশাপাশি এর মাধ্যমে আমরা জাতিকে আশ্বস্ত করতে চাই যে অপরাধী যত শক্তিশালীই হোক না কেন, আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নন। এটি দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ও বাংলাদেশের ইতিহাসে মাইলফলক হয়ে থাকবে।”
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই বক্তব্য কেবল রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি নয়, এটি একটি রাষ্ট্রের দৃঢ় অঙ্গীকার যে, আইন এখন আর কারও ব্যক্তিগত দাস নয়। ১২ জুন সংযুক্ত আরব আমিরাতের ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরো (এনসিবি) থেকে পাঠানো ই-মেইলের মাধ্যমে এই গ্রেপ্তারের খবরটি নিশ্চিত হয়। আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে, গ্রেপ্তারের তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক প্রত্যর্পণ অনুরোধ বা এক্সট্রেডিশন রিকোয়েস্ট পাঠাতে হবে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে এই জটিল আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার তোড়জোড় চলছে। এটি এমন একটি পদক্ষেপ, যা বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থাকে বিশ্বদরবারে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি করেছে।
২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থান ছিল কেবল একটি সরকার পতনের আন্দোলন নয়, ছিল একটি বৈষম্যবিরোধী লড়াই। এটি ছিল এমন এক জাগরণ, যেখানে মানুষ চেয়েছিল বৈষম্যের শিকল ভাঙতে। এই অভ্যুত্থানের পর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান কামাল সহ অন্যান্য যারা পলাতক রয়েছেন, তাদের ফিরিয়ে আনার বিষয়টি এখন জাতীয় দাবির পর্যায়ে পৌঁছেছে। ইন্টারপোল কেবল একটি মাধ্যম, কিন্তু মূল চাবিকাঠি হলো রাষ্ট্রের কূটনৈতিক তৎপরতা।
আন্তর্জাতিক আইন ও ইন্টারপোলের কার্যপদ্ধতি অনুযায়ী, এটি কোনো সরাসরি পুলিশি সংস্থা নয়, বরং তথ্য আদান-প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। রেড নোটিশ জারি মানেই তাৎক্ষণিক গ্রেপ্তার নয়, মূলত সদস্য রাষ্ট্রগুলোর পুলিশকে নির্দেশ দেয় সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে খুঁজে বের করতে এবং নিজ নিজ দেশের আইনানুসারে ব্যবস্থা নিতে। ইতিহাস সাক্ষী দেয়, স্লোবোদান মিলোসেভিচ বা চার্লস টেলরের মতো স্বৈরশাসকদের আন্তর্জাতিক আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হয়েছিল। ফলে, রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকলে এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল বা পারস্পরিক আইনি সহায়তা চুক্তির বা এমএলএটি এর মাধ্যমে পলাতকদের ফিরিয়ে আনা কেবল সম্ভবই নয়, বরং নৈতিক দায়বদ্ধতারও প্রতিফলন ঘটে। রাষ্ট্রনীতিতে একটি কথা প্রচলিত আছে, "ন্যায়ের চাকা ধীরগতিতে ঘোরে, কিন্তু তা পিষে ফেলে সব কিছু।" পলাতক থাকা মানেই মুক্তি নয়, বরং বিচারের অপেক্ষায় থাকা এক বন্দিদশা।
বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে করা মামলার বিবরণী পড়লে যে কেউ শিউরে উঠবে। দুদক বলছে, তার এবং তার পরিবারের নামে থাকা ৮টি ফ্ল্যাট এবং ২৫ একর ২৭ কাঠা জমি জব্দ করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। গোপালগঞ্জ ও মাদারীপুরে ৬২১ বিঘা জমি, ১৯টি কোম্পানির শেয়ার, গুলশানে ৪টি ফ্ল্যাট—এই বিশাল সম্পদ কি একজন সরকারি কর্মকর্তার বেতনভাতার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ? যা স্পষ্টত ক্ষমতার অপব্যবহারের বহিঃপ্রকাশ।
আদালত যখন বেনজীর ও তার স্ত্রীর নামে থাকা ৩৩টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার আদেশ দেন, তখন এটি কেবল একজন ব্যক্তির পতনকে নির্দেশ করে না, বরং একটি দুর্নীতিগ্রস্ত শাসনব্যবস্থার কফিনে শেষ পেরেক হয়ে দাঁড়ায়। যে অর্থ জনকল্যাণে ব্যয় হওয়ার কথা ছিল, তা ব্যক্তিগত বিলাসিতায় ব্যয় হয়েছে। বেনজীরের এই অপরাধ, যা কোনো অবস্থাতেই ক্ষমাযোগ্য হতে পারে না।
বেনজীর আহমেদের মতো ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে অতীতে বিভিন্ন সময়ে ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। এমনকি ৫ কোটি টাকা না দেওয়ায় ব্যবসায়ীকে ফাঁসানোর মতো ভয়াবহ অভিযোগও তার বিরুদ্ধে রয়েছে। তার ডক্টরেট ডিগ্রি পর্যন্ত যে প্রশ্নবিদ্ধ ছিল, তা প্রমাণ করে যে একটি অসাধু চক্র কীভাবে রাষ্ট্রকে কলুষিত করেছিল।
বিএনপির মতো রাজনৈতিক দলগুলো যারা দীর্ঘ সময় ধরে রাজপথে ছিল, তাদের জন্য বর্তমান সময়টি একটি বিশাল দায়িত্বের। রাষ্ট্রের প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে দলীয়করণের পরিবর্তে প্রাতিষ্ঠানিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করাই এখনকার প্রধান চ্যালেঞ্জ। বেনজীর আহমেদের গ্রেপ্তার প্রমাণ করে যে, রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা ব্যক্তিগত সম্পদে রূপান্তরের দিন শেষ। রাষ্ট্রনীতিবিদদের মতে, "একটি শক্তিশালী জাতি গঠনের জন্য প্রয়োজন শক্তিশালী বিচার বিভাগ ও নিরপেক্ষ আইন প্রয়োগকারী সংস্থা।" বিএনপি বা যেকোনো গণতান্ত্রিক দলের জন্য বর্তমান শিক্ষণীয় বিষয় হলো, ক্ষমতার পালাবদল হলেও প্রতিষ্ঠানের ভেতরে যেন এমন বিষবৃক্ষ জন্ম নিতে না পারে। রাজনীতির মাঠে এখন প্রয়োজন নীতি ও আদর্শের চর্চা। দুর্নীতি যদি রাজনীতি ও প্রশাসনকে গ্রাস করে, তবে সেই রাষ্ট্র টিকে থাকতে পারে না।
পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে স্বৈরশাসক বা দুর্নীতিবাজদের পতনের বহু উদাহরণ রয়েছে। ফিলিপাইনের ফার্দিনান্দ মার্কোসের পতন থেকে শুরু করে আরব বসন্তের পরবর্তী সময়—এ সবই প্রমাণ করে যে, জনগণের শক্তির চেয়ে বড় কোনো শক্তি নেই। বেনজীর আহমেদের দুবাইয়ে গ্রেপ্তার হওয়াটি সেই ধারারই একটি অংশ।
যেকোনো দেশে যখন রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরে আসে, তখন দুর্নীতিবাজদের কোনো সীমান্তই সুরক্ষা দিতে পারে না। আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে এখন 'অ্যাকাউন্টেবিলিটি' (জবাবদিহিতা) একটি প্রধান চালিকাশক্তি।
ইন্টারপোল ও বৈশ্বিক গোয়েন্দা নেটওয়ার্ক এখন অত্যন্ত দক্ষ ও তৎপর। এর সাথে যদি আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার হয় সেক্ষেত্রে অপরাধী ও দুর্নীতিগ্রস্ত পলাতকদের ফিরিয়ে আনাও সম্ভব,যা দুবাই গ্রেপ্তার প্রমাণ করে দেয়। এখন প্রশ্ন,কেন এই গ্রেপ্তার একটি ঐতিহাসিক সাফল্য?
বেনজীর আহমেদের গ্রেপ্তার পুলিশের অভ্যন্তরীণ সংস্কারের জন্য একটি বড় পরীক্ষা,তবে যদি তাকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচার করা যায়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদের বক্তব্য অনুযায়ী, এটি বিচারহীনতার সংস্কৃতি থেকে বের হওয়ার প্রথম ধাপ। যখন বাহিনীর প্রধান বা শীর্ষ কর্মকর্তারা দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত হন, তখন বাহিনীর সাধারণ সদস্যদের নৈতিক মনোবলের ওপর এর বিরূপ প্রভাব পড়ে। এই গ্রেপ্তার সেই ক্ষয়ে যাওয়া মনোবলে আশার আলো নিয়ে এসেছে। পুলিশ বাহিনীকে এখন থেকে কেবল রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে নয়, বরং জনগণের বন্ধু হিসেবে নিজেকে নতুন করে গড়তে হবে। বেনজীরের পতন বাহিনীর ভেতরে থাকা অন্য দুর্নীতিবাজদের জন্যও একটি সতর্কবার্তা।
বেনজীরকে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়াটি আইনি জটিলতায় পূর্ণ। এক্সট্রাডিশন ট্রিটি বা প্রত্যর্পণ চুক্তির অনুপস্থিতিতেও অনেক সময় কূটনৈতিক সমঝোতার মাধ্যমে অপরাধীদের ফিরিয়ে আনা সম্ভব। দুবাই কর্তৃপক্ষ যে সাড়া দিয়েছে, তা বাংলাদেশের বর্তমান কূটনৈতিক শক্তির বহিঃপ্রকাশ। তবে কেবল ফিরিয়ে আনাই যথেষ্ট নয়, বরং একটি নিরপেক্ষ ও দ্রুত বিচার সম্পন্ন করাই হবে আসল সাফল্য। আমাদের বিচার বিভাগকে নিশ্চিত করতে হবে যে, কোনো রাজনৈতিক প্রভাব বা ব্যক্তিবিশেষের প্রতি প্রতিহিংসা নয়, বরং আইনের শাসনই হবে মূল চালিকাশক্তি।
নৈতিক শিক্ষা ও ভবিষ্যতের বাংলাদেশ
জুলাই অভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশ এক নতুন সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়েছে। এই সন্ধিক্ষণে প্রয়োজন দেশের সম্পদ লুণ্ঠনকারীদের আইনের মুখোমুখি করা এবং পলাতকদের ফিরিয়ে এনে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো। আমাদের মনে রাখতে হবে, "যেখানে অন্যায়ের শেষ হয়, সেখান থেকে ন্যায়ের শুরু হয়।" আজ যারা পলাতক, কাল তাদের বিচার হবে—এটিই ইতিহাসের অমোঘ নিয়ম।
একটি সুন্দর ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যই হোক আমাদের জাতীয় শপথ। আর সেই পথে বেনজীর আহমেদের গ্রেপ্তার হবে একটি উজ্জ্বল আলোকবর্তিকা, যা অন্ধকার দূর করতে সাহায্য করবে। বেনজীর কেবল একজন ব্যক্তি নয়, তিনি একটি যুগের প্রতীক। সেই যুগটি ছিল দম্ভ, দুর্নীতি ও স্বৈরাচারের। সেই যুগের অবসান ঘটেছে একটি রক্তক্ষয়ী অভ্যুত্থানের মাধ্যমে। এখন সময় সেই ক্ষতগুলো শুকানোর এবং নতুন প্রজন্মের জন্য একটি স্বচ্ছ রাষ্ট্র উপহার দেওয়ার। পারবে কি তারেক রহমান সরকার?
পরিশেষে বলা যায়, ন্যায়বিচার কেবল আইনের বইয়ের পাতায় সীমাবদ্ধ থাকা উচিত নয়, এটি রাষ্ট্রের প্রতিটি কর্মকাণ্ডে প্রতিফলিত হতে হবে। বেনজীর আহমেদের গ্রেপ্তার কেবল পুলিশের সাফল্য নয়, এটি ১৬ কোটি মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার জয়। এখন সময় এসেছে আইনের শাসনের এই ধারাকে বজায় রাখার এবং দেশের স্বার্থে একটি স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র ব্যবস্থা নিশ্চিত করার। ইতিহাসে যারা দুর্নীতি করেছে, তাদের জায়গা হয়েছে ডাস্টবিনে; আর যারা জনগণের জন্য কাজ করেছে, তাদের জায়গা হয়েছে হৃদয়ে। এই সত্যটি অনুধাবন করলেই রাষ্ট্র আবার মাথা তুলে দাঁড়াতে পারবে।
লেখক: সাংবাদিক ও কলামিস্ট


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









