The Daily Adin Logo

প্রার্থীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ

চট্টগ্রামে বিএনপির বিরুদ্ধে জামায়াতের অভিযোগ

প্রকাশিত: ১৫ জানুয়ারি ২০২৬, ০১:৩৮ পিএম

আপডেট: ১৫ জানুয়ারি ২০২৬, ০১:৩৮ পিএম

চট্টগ্রামে বিএনপির বিরুদ্ধে জামায়াতের অভিযোগ

চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনে বিএনপির মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী সরওয়ার আলমগীরকে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

বুধবার (১৪ জানুয়ারী) অনুসন্ধান ও অ্যাডজুডিকেশন কমিটির চেয়ারম্যান, যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ মো. সিরাজ উদ্দিন এ শো'কজের নোটিশ দেন। 

এতে ওই প্রার্থীকে প্রতীক বরাদ্দের আগেই নির্দিষ্ট প্রতীকের পক্ষে প্রচারণা চালানোর অভিযোগ করা হয়। আদেশে উল্লেখ করা হয়, প্রতীক বরাদ্দের আগেই সরওয়ার আলমগীর ফটিকছড়ির বিভিন্ন এলাকায় 'ধানের শীষ' প্রতীকের পক্ষে ভোট চেয়ে সভা, সমাবেশ ও প্রচারণা চালিয়েছেন। এছাড়া তার ব্যক্তিগত ফেইসবুক পেজেও সংশ্লিষ্ট প্রচারণার ভিডিও পাওয়া গেছে।

কমিটির ভাষ্যমতে, এসব কর্মকাণ্ড নির্বাচনী আচরণবিধিমালা ২০২৫-এর ৩, ১৬, ১৮ ও ২৭বিধির স্পষ্ট লঙ্ঘন। এ কারণে আগামী ১৮ জানুয়ারি সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ে প্রার্থীকে সশরীরে হাজির হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফটিকছড়ির সিনিয়র সিভিল জজ আদালতে স্থাপিত অস্থায়ী কার্যালয়ে তিনি উপস্থিত হবেন।

ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাচন অফিসার রকর চাকমা সত্যতা নিশ্চিত করেন।

এ বিষয়ে সরওয়ার আলমগীর বলেন, 'কিছু জানি না। তবে শুনেছি। এমন হলে তা অনভিপ্রেত। প্রতিদ্বন্দ্বীতার মাঠে পিছিয়ে থাকা প্রার্থীর কাজই হলো অন্যের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা, প্রপাগাণ্ডা ছড়ানো। এমনও হতে পারে।'

এদিকে ঋণ খেলাপি থাকা এবং হলফনামায় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপনের অভিযোগে সরোয়ার আলমগীরের মনোনয়ন বৈধতার বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল দায়ের করেছেন অধ্যক্ষ মো. নুরুল আমিন।

আপিলে অভিযোগ করা হয়, সরোয়ার আলমগীর তার মনোনয়নপত্রের সঙ্গে দাখিল করা হলফনামায় নিজের আর্থিক দায়, বিশেষ করে ব্যাংক ঋণ সংক্রান্ত তথ্য গোপন করেছেন। নির্বাচন আচরণবিধি ও গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী ঋণ খেলাপি হলে অথবা হলফনামায় মিথ্যা বা অসম্পূর্ণ তথ্য প্রদান করলে তার মনোনয়ন বাতিলযোগ্য বলে উল্লেখ রয়েছে।

 অধ্যক্ষ মো. নুরুল আমিন অভিযোগ করেন, সরোয়ার আলমগীরের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আর্থিক প্রতিষ্ঠানে বকেয়া ঋণ থাকার তথ্য রয়েছে, যা ইচ্ছাকৃতভাবে গোপন করা হয়েছে। এ ধরনের তথ্য গোপন নির্বাচনী আইন লঙ্ঘনের শামিল এবং এতে ভোটারদের বিভ্রান্ত করা হয় বলেও আপিলে উল্লেখ করা হয়।
তিনি আরও বলেন, ‘নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও সুষ্ঠুতা নিশ্চিত করতে হলে আইনের ব্যত্যয় ঘটানো কোনো প্রার্থীকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া যায় না। নির্বাচন কমিশনের উচিত অভিযোগগুলো যথাযথভাবে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা।’

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, আপিলটি গ্রহণ করা হয়েছে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উভয় পক্ষের বক্তব্য ও দাখিলকৃত কাগজপত্র পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত দেওয়া হবে। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকেও তথ্য যাচাই করা হতে পারে।
বিশ্লেষকদের মতে, ঋণ খেলাপি ও হলফনামায় তথ্য গোপনের মতো অভিযোগ নির্বাচন প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের অনিয়ম হিসেবে বিবেচিত হয়। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত সংশ্লিষ্ট আসনের নির্বাচনী সমীকরণে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

জামায়াত প্রার্থীর অভিযোগ এবং বি এনপি প্রার্থীকে কারন দর্শানোর নোটিশে এলাকায় ভোটারদের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। 

 

কাওছার/ন্যাশনাল/এদিন

Advertisement
এদিনের সব

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মো. সাইদুল ইসলাম সাজু
নির্বাহী সম্পাদক: খন্দকার মোজাম্মেল হক

শরীয়তপুর প্রিন্টিং প্রেস ২৮/বি, টয়েনলি সার্কুলার রোড, মতিঝিল-১০০০, ঢাকা থেকে মুদ্রিত

যোগাযোগ করুন

টাওয়ার-এ (২য় তলা), হাউস-১৩, রোড-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩।

০২-২২৬৬০৩৩৫২

০১৮৯৭-৬৬৪৬৫৬

ইমেইল : dailyadinbd@gmail.com

আমাদের সোশ্যাল মিডিয়া

facebookyoutubetiktok

© স্বত্ব ২০২৬, দৈনিক এদিন

Design & Developed byBongosoft Ltd.