সংরক্ষিত নারী আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
শনিবার (২ মে) দলটির যুগ্ম সদস্য সচিব ও দপ্তর সেলের সম্পাদক সালেহ উদ্দিন সিফাত এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, সংরক্ষিত নারী আসনে এনসিপি থেকে নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেছেন চিফ রিটার্নিং কর্মকর্তা। কিছুক্ষণের মধ্যে দাপ্তরিক কার্যক্রম শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করবেন বলে আমাদের জানিয়েছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। জাতীয় নাগরিক পার্টির পক্ষ থেকে আমরা নির্বাচন কমিশনের মিডিয়া সেন্টারে কিছুক্ষণের মধ্যে ব্রিফ করবো।
গত ২১ এপ্রিল মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময় বিকাল ৪টার পর নুসরাত মনোনয়নপত্র জমা দিলে তা গ্রহণ করেননি রিটার্নিং কর্মকর্তা। এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তিনি আদালতে যান, পরে আদালত নির্বাচন কমিশনকে তার মনোনয়নপত্র গ্রহণ ও আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।
জামায়াত জোটের প্রার্থী নুসরাত তাবাসসুম বলেন, “গেজেট প্রকাশ হওয়ার পর শপথের বিষয় আসবে। দাপ্তরিক কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত এতোদূর চিন্তা করছি না।”
তিনি বলেন, “আমি সংসদে থাকি না থাকি, আমি আমার দলের প্রতিনিধিত্ব সবসময় করব। এবং আমি যে রাজনৈতিক আদর্শে বিশ্বাস করি, তা সবসময় মেনে চলব।”
আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতি অনুযায়ী রাজনৈতিক দল ও জোটের মধ্যে সংরক্ষিত নারী আসন বণ্টন করা হয়। সে অনুযায়ী এবার বিএনপি জোট ৩৬ জন, জামায়াত জোটের ১৩ জন, আর স্বতন্ত্র জোটের একজনকে মনোনীত করে। তারা সবাই ২১ এপ্রিল মনোনয়নপত্র জমা দেন।
জামায়াত জোটের ১৩ জনের মধ্যে এনসিপির প্রার্থী ছিলেন এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব মাহমুদা আলম মিতু এবং যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন। ২৩ এপ্রিল বাছাইয়ে বাকি সবার মনোনয়নপত্র গৃহীত হলেও মনিরা শারমিনের মনোয়নপত্র বাতিল করা হয়।
নুসরাতের আইনজীবী জহিরুল ইসলাম মূসা বলেন, “আইন অনুযায়ী এক দলের পক্ষে থেকে একাধিক প্রার্থীকে মনোনয়ন দেওয়ার সুযোগ আছে। এনসিপির পক্ষ থেকে দুজনকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল। যার মধ্যে মনিরা শারমিনের মনোনয়ন আইনগত কারণে গ্রহণ করা হয়নি।
“আপিল করলে ইসি তার আপিলও খারিজ করে। তিনি এখন উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন। সেখান থেকে ভিন্ন কোনো আদেশ আসলে ইসি ও দল হিসাবে এনসিপি তা অনুসরণ করবে।"


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









