হাই-টেক পার্ক প্রকল্পের নামে দুর্নীতির এক অন্ধকার সুড়ঙ্গ তৈরি করছে পতিত ফ্যাসিস্ট সরকারের একটি চক্র। হাই-টেক পার্কগুলোতে অদ্ভূত নির্মাণ কাজের নামে চলছে সরকারি অর্থের অপচয়। বাজেট ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে দেখানো, টেন্ডার কারসাজি, রাজনৈতিক বিবেচনায় স্থান নির্বাচন ও প্রশিক্ষণের নামে ভুয়া সনদ বিতরণের মাধ্যমে একটি ‘সিন্ডিকেট’হাতিয়ে নিয়েছে হাজার হাজার কোটি টাকা।
রাজধানীর অদূরে গাজীপুরের কালিয়াকৈরে ‘বঙ্গবন্ধু হাই-টেক সিটি পার্ক’ নামে ৩৩৫ একর জমিতে নেয়া হয় একটি বড় প্রকল্প। এরপর একে একে নেয়া হয়েছে যশোরে ‘শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক’, রাজশাহীতে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হাই-টেক পার্ক ও শেখ কামাল আইটি ইনকিউবেশন সেন্টার’, সিলেটের কোম্পানীগঞ্জে ‘বঙ্গবন্ধু হাই-টেক পার্ক’সহ বেশ কয়েকটি প্রকল্প।
শুরুর দিকে বলা হয়েছিল, এসব প্রকল্পে লাখ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। এগুলো অদূর ভবিষ্যতে একেকটি ‘সিলিকন ভ্যালি’হিসেবে পরিচিতি পাবে। বিশ্বের কাছে বাংলাদেশকে নতুন করে চেনাবে। কাগজে-কলমে এগুলোই ছিল ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’-এর গর্বিত স্মারক। কিন্তু বাস্তবতা হলো, হাই-টেক পার্কের নামে গত দেড় দশকে তৈরি করা হয়েছে কেবল ইটের জঙ্গল আর দুর্নীতির অভয়ারণ্য। ৮ হাজার ৫০০ কোটি টাকারও বেশি খরচ করে গড়ে তোলা এই পার্কের অবকাঠামোগুলো এখন একেকটি ভুতুড়ে নগরী। যার আড়ালে লুকিয়ে আছে রাজনৈতিক দখলদারিত্ব, টেন্ডার কারসাজি আর হাজার কোটি টাকা লোপাটের এক অবিশ্বাস্য গল্প।
জানা গেছে, বিএইচটিপিএ (বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক অথরিটি)-এর ম্যান্ডেট বা কর্মপরিধি ছিল বিশ্বমানের অবকাঠামো তৈরি করে বিদেশি বিনিয়োগ আনা। অথচ মাঠ পর্যায়ের চিত্র ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। গ্লোবাল ইনভেস্টমেন্ট সামিট বা বিডা-র ব্রোশিউরে বাংলাদেশকে ‘রাইজিং হাব’হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হলেও বাস্তবে পার্কগুলো এখন ভুতুড়ে নগরী। গাজীপুরের কালিয়াকৈরে অবস্থিত দেশের ফ্ল্যাগশিপ ‘বঙ্গবন্ধু হাই-টেক সিটি’-র কথাই ধরা যাক। ঢাকার অদূরে এবং আওয়ামী লীগের তথ্য প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলকের সরাসরি তদারকিতে থাকার পরও এটি ব্যর্থতার প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে। সেখানকার ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, পার্কটিতে হাই-টেক পরিবেশের ছিটেফোঁটাও নেই। বিদ্যুতের ভয়াবহ লোডশেডিং, পানির অভাব এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনার কোনো বালাই নেই। ব্যবসায়ীদের ভাষ্যমতে, মাসে ৫০ থেকে ৮৫ ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিং হয়। তাদের মেশিন নষ্ট হয়ে যাচ্ছে, বিদেশি ক্লায়েন্টের ডেডলাইন মিস হচ্ছে। একজন ব্যবসায়ী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, হাই-ভোলটেজের বিদ্যুৎ লাইনের জন্য ২২ লাখ টাকা নেওয়ার পরও তিন বছর ধরে তাদের কাজ চালাতে হচ্ছে অস্থায়ী লাইন দিয়ে।
সিলেট হাই-টেক পার্কের অবস্থা আরও করুণ। সেখানে গ্যাস সংযোগের প্রতিশ্রুতি দিয়েও তা দেওয়া হয়নি। কোম্পানিগুলো এলপিজি সিলিন্ডারে কাজ চালাচ্ছে। সীমানা প্রাচীর না থাকায় নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বিনিয়োগকারীরা। নিয়মিত চুরি হচ্ছে মূল্যবান ক্যাবল, রড ও মনিটর। এমনকি পার্কের ভেতরে স্থানীয়রা গরু-ছাগল চরায় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। নাটোর ও সিলেটে জলাশয় ভরাট করে প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে। সিলেটের কোম্পানিগঞ্জে নির্মিত ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হাই-টেক পার্ক’টি শহর থেকে অনেক দূরে এবং বন্যাপ্রবণ হাওর এলাকায় অবস্থিত। সম্ভাব্যতা যাচাই প্রতিবেদনে এই স্থানটিকে ‘দুর্বলভাবে সম্ভাব্য’বলা হলেও তা উপেক্ষা করে প্রকল্প এগিয়ে নেওয়া হয়েছে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, জমি ভরাট ও অধিগ্রহণের কাজও পেয়েছিলেন ক্ষমতাসীন দলের নেতারা।
প্রকল্পগুলোর ব্যর্থতার অন্যতম প্রধান কারণ রাজনৈতিক বিবেচনায় স্থান নির্বাচন। সম্ভাব্যতা যাচাই বা ফিজিবিলিটি স্টাডির তোয়াক্কা না করে শুধু স্থানীয় প্রভাবশালী নেতা ও মন্ত্রীদের খুশি করতে এসব প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। ২০১০ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে হাই-টেক পার্কগুলোর নামকরণেও রাজনৈতিক বাড়াবাড়ি দেখা গেছে। ‘বঙ্গবন্ধু হাই-টেক সিটি’, ‘শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক’, ‘শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং সেন্টার’, ‘সজীব ওয়াজেদ জয় আইটি সেন্টার’—এভাবে প্রায় প্রতিটি প্রকল্পে রাজনৈতিক ব্র্যান্ডিং করা হয়েছে। বিশেষ করে ২০১৬ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে এই প্রবণতা চরমে পৌঁছায়। উদ্দেশ্য ছিল শিল্পের উন্নয়ন নয়, বরং পবিরারতন্ত্রের প্রচার এবং স্থানীয় নেতাদের সন্তুষ্টি।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, টেন্ডার বা দরপত্র প্রক্রিয়া ছিল পুরোটাই সাজানো। রাজনৈতিকভাবে ঘনিষ্ঠ ঠিকাদারদের কাজ পাইয়ে দিতে আগে থেকেই বাজেট ফাঁস করে দেওয়া হতো। কেনাকাটা করা হয়েছে বাজার দরের চেয়ে তিনগুণ বেশি দামে। প্রকল্পের সাথে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, অফিসে সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করত তিন-চারজনের একটি গ্রুপ। কে কোন প্রকল্প পাবে, তা তারাই ঠিক করত। কর্মকর্তারা আরও জানান, ১১ কোটি টাকার একটি ছোট ব্রিজ নির্মাণে ৭ কোটি টাকারও বেশি আর্থিক অনিয়ম হয়েছে। এ নিয়ে কথা বলতে গেলে একজন কর্মকর্তাকে মারধরের উপক্রম করা হয়েছিল। সরাসরি ক্রয় পদ্ধতি বা ডিপিএম-এর অপব্যবহার ছিল নিয়মিত ঘটনা। শেষ মুহূর্তে টেন্ডার প্রক্রিয়া পরিবর্তন করে পছন্দের ভেন্ডরদের কাজ দেওয়া হতো। এমনকি সাবেক প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক এবং তার ঘনিষ্ঠদের নির্দেশে অনেক ভুয়া বিলও পাস করতে বাধ্য হয়েছেন কর্মকর্তারা।
সূত্র আরও জানায়, হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের মূল কাজ অবকাঠামো নির্মাণ হলেও তারা জড়িয়ে পড়ে আইটি প্রশিক্ষণের কাজে। এর মধ্যে সবচেয়ে বিতর্কিত হলো ‘শেখ কামাল ৮ আইটি ট্রেনিং অ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টার’প্রকল্প। কোনো সঠিক সম্ভাব্যতা যাচাই ছাড়াই এই প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। অনুসন্ধানে জানা গেছে, প্রশিক্ষণের জন্য শিক্ষার্থী নির্বাচনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল ভেন্ডরদের হাতেই। পরীক্ষায় পাসের কোনো নির্দিষ্ট নম্বর ছিল না। ভেন্ডরদের পেমেন্ট পাওয়ার জন্য ৭৫ শতাংশ পাসের হার দেখানোর নিয়ম ছিল, যা তারা জালিয়াতির মাধ্যমে পূরণ করত। কর্মসংস্থানের প্রমাণ হিসেবে ৪২ জন প্রশিক্ষণার্থীর ৫ থেকে ১০ ডলার আয়ের ভুয়া স্ক্রিনশট জমা দিয়ে কোটি কোটি টাকা বিল তুলে নেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্পের ভবন নির্মাণেও হয়েছে দুর্নীতি। বাংলাদেশের আবহাওয়ার অনুপযুক্ত হওয়া সত্ত্বেও ভবনগুলোতে আরসিসি দেয়ালের বদলে দামি গ্লাস ব্যবহার করা হয়েছে। এতে খরচ বেড়েছে ১৫৫ শতাংশ। আবার কাঁচের ভবনে অতিরিক্ত গরমের কারণে এসি বাবদ খরচ বেড়েছে ১২৭৮ শতাংশ। অভ্যন্তরীণ তদন্তে দেখা গেছে, শুধু অপ্রয়োজনীয় ভবন নির্মাণেই ১১০ কোটি টাকা অপচয় হয়েছে।
পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ৮টি আইটি প্রকল্পের ডিপিপি বা উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব তৈরির সময় সরকারি নির্দেশিকা মানা হয়নি। প্রকিউরমেন্টকারী সংস্থা ডিপিপির লজিক্যাল ফ্রেমওয়ার্ক মূল্যায়ন ছাড়াই প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে, যা আইনত অবৈধ। আইনি বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, এই অনিয়মগুলো কেবল প্রশাসনিক ভুল নয়, বরং ‘এখতিয়ারবহির্ভূত’অপরাধ। পাবলিক ফাইন্যান্স অ্যান্ড বাজেট ম্যানেজমেন্ট অ্যাক্ট অনুযায়ী, যথাযথ প্রক্রিয়া না মেনে অর্থ ছাড় করা পেশাগত অসদাচরণের শামিল। ভেন্ডর নির্বাচন থেকে শুরু করে তহবিল বিতরণ--প্রতিটি ধাপে আইনের লঙ্ঘন হয়েছে। দুর্নীতির সাথে সংশ্লিষ্ট জুনাইদ আহমেদ পলক, বিকর্ণ কুমার ঘোষ, নরোত্তম পালসহ বেশ কিছু দায়িত্বশীল কর্মকর্তার নাম উঠে এসেছে। অভিযোগ রয়েছে, এই ব্যক্তিরা একটি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে নিয়োগ বাণিজ্য, টেন্ডার নিয়ন্ত্রণ এবং প্রকল্প বণ্টন করতেন। শীর্ষমহলের পাশাপাশি এই প্রকল্পের দুর্নীতিতে মধ্যম সারির কর্মকর্তারাও (যেমন—সহকারী পরিচালক, প্রকিউরমেন্ট বিশেষজ্ঞ) এই দুর্নীতির অপরিহার্য অংশ ছিলেন। জবাবদিহির অভাবে এই প্রতিষ্ঠানটি কার্যত দুর্নীতির ‘অভয়ারণ্যে’পরিণত হয়েছিল।
বিএইচটিপিএ-এর ভেতরের চিত্র আরও ভয়াবহ ছিল। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সেখানে কাজ করার পরিবেশ ছিল ভীতিপূর্ণ। রাজনৈতিক নেতাদের চাপে নিয়মবহির্ভূত কাজ করতে বাধ্য হতেন সাধারণ কর্মকর্তারা। সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালকের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি অবসরে যাওয়ার একদিন আগে ব্যাকডেটে (পেছনের তারিখে) স্বাক্ষর করে অবৈধ অনুমোদন দিয়েছিলেন। মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারাও ছিলেন অসহায়। কালিয়াকৈরের হাই-টেক প্রকল্পে জড়িত এক কর্মকর্তা জানান, ৩৬৫ একর পার্কের নিরাপত্তার জন্য মাত্র ৪০ জন আনসার রয়েছে। চুরির ঘটনা ঘটলে ঘটনাস্থলে পৌঁছাতেই এক ঘণ্টা সময় লাগে।
বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ছয় খাতে মোটা অঙ্কের টাকার অনিয়ম পায় মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক (সিএজি) কার্যালয়। হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের হিসাব সম্পর্কিত কমপ্লায়েন্স নিরীক্ষা প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে, হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ সারাদেশে ৯২টি হাই-টেক পার্ক, সফটওয়্যার পার্ক ও ইনকিউবেশন সেন্টার স্থাপন করছে। এর মধ্যে ১৮টি পার্কে ব্যবসায়িক কার্যক্রম চলমান। নিরীক্ষা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পার্ক কর্তৃপক্ষের নিজস্ব আয় বাজেটে অন্তর্ভুক্ত না করে অতিরিক্ত অনুদান নেওয়ার বিষয়ে বড় অনিয়ম হয়েছে।
লুটপাটের অংশ হিসেবে কয়েকটি প্রকল্প শেষ এবং কিছু কিছু বাস্তবায়নাধীন দেখিয়ে হাজার হাজার কোটি টাকা খরচের কথা বলা হয়। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে হাই-টেক পার্ক প্রকল্প ঘিরে। শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং অ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টারের ১১টি প্রকল্পে সংশোধিত মিলিয়ে খরচ দেখানো হয় ১ হাজার ৩৭০ কোটি ৭৩.৩৯ লাখ টাকা, আইটি বা হাই-টেক পার্ক স্থাপনে ১ হাজার ৮৪৬ কোটি ৯ লাখ টাকা, ‘বঙ্গবন্ধু হাই-টেক সিটি’ প্রকল্পে ৪৩১ কোটি ৭৮ লাখ টাকা, ইকো সিস্টেম উন্নয়ন প্রকল্পে ৩৫৩ কোটি ৬ লাখ টাকা, ভারত-বাংলাদেশ ডিজিটাল সেবা প্রকল্পে ৭৪ কোটি ৫৮ লাখ টাকা, ‘শেখ হাসিনা ইনস্টিটিউট অব ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজি’ প্রকল্পে ১ হাজার ১১৪ কোটি ৬২ লাখ টাকা এবং ‘শেখ রাসেল ল্যাব’ স্থাপন প্রকল্পে ৯৩৬ কোটি ১৮ লাখ টাকা।
উল্লেখ্য, ফ্যাসিষ্ট সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশের নামে মোটা বাজেটের বড় বড় প্রকল্প নিয়ে হাতিয়ে নেয় হাজার হাজার কোটি টাকা। টেলিযোগাযোগ ও আইসিটি খাতের অনিয়ম-দুর্নীতির গল্পটা সবার জানা । ২০০৯-১০ থেকে ২০২৪-২৫ অর্থবছর পর্যন্ত এ খাতে বিনিয়োগ করা হয় ৬৫ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ ২৫ হাজার কোটি টাকা এবং ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের রয়েছে ৪০ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প। এত টাকা খরচায়ও ডিজিটাল বাংলাদেশের প্রকৃত সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত দেশের মানুষ। এরমধ্যে শুধু মোবাইল নেটওয়ার্ক ফোরজি করার সময়েই কয়েক হাজার কোটি টাকা লোপাট করা হয়েছে। এ ছাড়া এটুআই প্রকল্প, ‘শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব’, হাই-কেট পার্ক, আইটি পার্ক। আইসিটি খাতে উন্নয়নের নামে এসব প্রকল্প থেকে সরানো হয়েছে কোটি কোটি টাকা। অভিযোগ রয়েছে, এসব প্রকল্পের মতোই নামধারী আরও ভুঁইফোড় প্রকল্প বানিয়ে লুটপাট চালিয়েছে শেখ হাসিনা সরকারের দোসররা।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









