রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬, ১৬ ফাল্গুন ১৪৩২

The Daily Adin Logo
The Daily Adin Logo

‘স্ববিরোধিতা’ই বাধা রাষ্ট্রসংস্কারে

প্রকাশিত: ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০২:১৬ পিএম

আপডেট: ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০২:১৬ পিএম

‘স্ববিরোধিতা’ই বাধা রাষ্ট্রসংস্কারে

# ১১ কমিশনের ১৭০ সুপারিশের বাস্তবায়ন মাত্র ৫৫
# ‘প্রতিরোধ’ আমলাতন্ত্রের, জড়তা প্রাতিষ্ঠানিক
# জনপ্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন নিজ স্বার্থে ‘চুপচাপ’

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের গঠিত ১১টি সংস্কার কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়ন ধীরগতিতে চলছে। সংস্কার কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে সরকার মোট ১৭০টি বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেয়। তবে সরকারের কার্যকালের শেষপর্যায়ে দেখা গেছে, এর মধ্যে মাত্র ৫৫টি সুপারিশ পুরোপুরি বাস্তবায়িত। আংশিক বাস্তবায়নে আছে ২৩টি সুপারিশ। সংস্কার কমিশনগুলোর পক্ষ থেকে বাস্তবায়নযোগ্য এসব সুপারিশ দৃশ্যমান অগ্রগতি সীমিত। বিশেষ করে যেসব সুপারিশ চিহ্নিত ছিল এবং নির্বাহী আদেশেই কার্যকর করা সম্ভব ছিল, সেগুলো বাস্তবায়ন বিলম্বে জনমনে প্রশ্ন তৈরি করেছে। 

সংস্কার-সংশ্লিষ্টদের মতে, আমলাতান্ত্রিক প্রতিরোধ ও প্রাতিষ্ঠানিক জড়তাই এ ধীরগতির অন্যতম কারণ। যে কোনো ব্যবস্থার সুবিধাভোগীরা পরিবর্তন সহজে মেনে নিতে চায় না। জনপ্রশাসন, পুলিশ কিংবা মাঠ প্রশাসনের সংস্কার প্রস্তাব বিদ্যমান ক্ষমতা, কর্তৃত্ব ও সুযোগ-সুবিধা কমিয়ে দিতে পারে- এ আশঙ্কা থেকেই ভেতরে ভেতরে নীরব কিন্তু শক্তিশালী প্রতিরোধ গড়ে উঠেছে। ফলে রাষ্ট্রসংস্কারের ঘোষিত লক্ষ্য বাস্তবায়নের পথে গতি কমে এসেছে।

রাষ্ট্র সংস্কারের লক্ষ্যে অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্যোগে গঠিত একাধিক কমিশন ঘিরে শুরুতে যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল, তা ক্রমেই অনিশ্চয়তায় রূপ নিচ্ছে। সংবিধান, নির্বাচনব্যবস্থা, জনপ্রশাসন, বিচারবিভাগ, পুলিশ, দুর্নীতি দমন, গণমাধ্যম, স্বাস্থ্য, শ্রম ও স্থানীয় সরকারসহ গুরুত্বপূর্ণ খাতে আমূল পরিবর্তনের প্রতিশ্রুতি দেয়া হলেও অধিকাংশ সংস্কার এখনো প্রস্তাব ও প্রাথমিক উদ্যোগের গণ্ডিতেই আটকে আছে। আইনগত বাধ্যবাধকতা, নির্দিষ্ট রোডম্যাপ ও কার্যকর বাস্তবায়ন কাঠামোর অভাবে সংস্কারপ্রক্রিয়া দৃশ্যমান অগ্রগতি অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। সরকারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, তারা তাদের মেয়াদে যথেষ্ট সংস্কার কাজ সম্পন্ন করেছেন এবং দেশের ইতিহাসে এত কম সময়ে এর চেয়ে বেশি সংস্কার আর হয়নি। 

বিশ্লেষকরা বলছেন, অন্তর্বর্তী সরকার সংস্কারের নামে যতটুকুই করেছে তা প্রায় সব ক্ষেত্রেই বাস্তবে লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়েছে। তাদের মতে, কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে প্রধান বাধা হচ্ছে রাজনৈতিক সদিচ্ছার ঘাটতি। সংবিধান বা বিদ্যমান আইনে সংস্কার কমিশনের সুপারিশ কার্যকর করার কোনো বাধ্যতামূলক বিধান না থাকায় সরকার চাইলে গ্রহণ করতে পারে, আবার উপেক্ষাও করতে পারে। ফলে সংস্কারের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ও কাগজেই সীমাবদ্ধ থেকে যাচ্ছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, সংস্কার প্রক্রিয়া যদি শুধু সুপারিশভিত্তিক ও অনিশ্চিত থাকে, তাহলে তা গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করার বদলে হতাশাই বাড়াবে। বিশেষ করে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে সংস্কার বাস্তবায়নের স্পষ্ট উদ্যোগ না থাকলে কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন আরো জোরালো হবে।

ছাত্র-জনতার আন্দোলনে ২০২৪ সালের আগস্টে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর জোরেশোরে উঠে এসেছিল রাষ্ট্র সংস্কারের বিষয়টি। অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর সংস্কারের রূপরেখা নির্ধারণের জন্য সুপারিশ প্রণয়নের লক্ষ্যে যে এগারোটি কমিশন গঠন করা হয়েছিল- তার মধ্যে অধ্যাপক আলী রীয়াজের নেতৃত্বে সংবিধান সংস্কার কমিশন, বদিউল আলম মজুমদারের নেতৃত্বে নির্বাচন সংস্কার  কমিশন, ড. ইফতেখারুজ্জামানের নেতৃত্বে দুদকের সংস্কার কমিশন এবং সরফরাজ হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশ সংস্কার কমিশন, আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি শাহ আবু নাঈম মোমিনুর রহমানের নেতৃত্বে গঠিত বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশন এবং আব্দুল মুয়ীদ চৌধুরীর নেতৃত্বে জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন। এ ছাড়া গণমাধ্যম, স্বাস্থ্য, শ্রম, নারী বিষয়ক ও স্থানীয় সরকার সংস্কার কমিশনও গঠন করা হয়। এসব কমিশন তাদের রিপোর্টও জমা দিয়েছে। সব সংস্কার কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে সরকার মোট ১৭০টি সুপারিশ বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেয়। তবে সরকারের কার্যকালের শেষ সময়ে দেখা গেছে, মাত্র ৫৫টি সুপারিশ পুরোপুরি বাস্তবায়ন হয়। আর আংশিক বাস্তবায়ন হয়েছে ২৩টি সুপারিশ। 

সংস্কার কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যালোচনায় দেখা গেছে, সবচেয়ে বেশি সুপারিশ বাস্তবায়িত হয় শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে। শ্রম ও নারী বিষয়ক সংস্কার কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে এ মন্ত্রণালয় মোট ১৫টি সুপারিশ বাস্তবায়ন করেছে। আইন ও বিচার বিভাগ এবং নারী বিষয়ক সংস্কার কমিশনের ১১টি সুপারিশ বাস্তবায়ন করেছে। নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশন, দুর্নীতি দমন সংস্কার কমিশন এবং নারী বিষয়ক সংস্কার কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ বাস্তবায়ন করেছে আরো ১১টি সুপারিশ। এ ছাড়া গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের সুপারিশে তথ্য মন্ত্রণালয় একটি, স্বাস্থ্য খাত সংস্কার কমিশনের সুপারিশে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ একটি, জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের সুপারিশে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একটি, শ্রম খাত সংস্কার কমিশনের সুপারিশে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় একটি, নারী বিষয়ক সংস্কার কমিশনের সুপারিশে স্থানীয় সরকার বিভাগ একটি, নারী বিষয়ক সংস্কার কমিশনের ভিত্তিতে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় দুটি, জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের ভিত্তিতে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ একটি, নারী বিষয়ক সংস্কার কমিশনের ভিত্তিতে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় পাঁচটি, জনপ্রশাসন ও নারী বিষয়ক সংস্কার কমিশনের সুপারিশে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ দুটি, শ্রম ও নারী বিষয়ক সংস্কার কমিশনের সুপারিশে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় তিনটি, জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের সুপারিশে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ একটি সুপারিশ বাস্তবায়ন করেছে।

জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ বাস্তবায়ন করে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ পুনর্গঠন করা হয়। এ বিষয়ে গত বছরের ১২ মে একটি অধ্যাদেশ জারি করা হয়। আইন ও বিচার বিভাগ যে ১১টি সুপারিশ বাস্তবায়ন করেছে, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- প্রধান বিচারপতি ছাড়া অন্যান্য সুপ্রিম কোর্ট বিচারক নিয়োগে স্বাধীন কমিশন গঠন, আদালত ভবনের নিচতলায় ইনফরমেশন ডেস্ক স্থাপন, নারী ও শিশুদের জন্য আদালতে স্বতন্ত্র ও সহায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করা, অনলাইনে সরকারি সাক্ষ্যগ্রহণ, দেওয়ানি মামলা নিষ্পত্তি ত্বরান্বিত করা,  সাক্ষী সুরক্ষা ও ভুক্তভোগী সুরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করা, জেন্ডার সংবেদনশীলতা বিষয়ে পুলিশ, আইনজীবী ও বিচারকদের প্রশিক্ষণ, নাগরিকত্ব আইন সংশোধন করে বিদেশি নাগরিককে বিয়ে করে বাংলাদেশি নারীকে নাগরিকত্ব সংক্রান্ত জটিলতা নিরসন।

শ্রম সংস্কার কমিশন ও নারী বিষয়ক সংস্কার কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেয়। এর মধ্যে রয়েছে প্রবাসী শ্রমিকদের জন্য বাধ্যতামূলক জীবন বীমা চালু, আত্মীয়স্বজনের ভিসায় বিদেশে যাওয়া কর্মীদের নিজস্ব ভিসা প্রক্রিয়াকরণের সুযোগ, নারী অভিবাসী শ্রমিকদের জন্য ২৪ ঘণ্টার হেল্পলাইন চালু। নারী বিষয়ক সংস্কার কমিশনের সুপারিশে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় পাঁচটি সংস্কার বাস্তবায়ন করেছে। এর মধ্যে রয়েছে নারী উন্নয়ন বিষয়ক জাতীয় পরিষদ পুনর্গঠন, জাতীয় মহিলা প্রশিক্ষণ ও উন্নয়ন একাডেমির সক্ষমতা বৃদ্ধি, ডিএনএ পরীক্ষাগার ব্যবস্থাপনা শক্তিশালীকরণ, কর্মজীবী নারীদের জন্য আবাসিক হোস্টেল ও শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র স্থাপন, নারীর সুরক্ষায় দেশব্যাপী সমন্বিত টোল-ফ্রি হটলাইন চালু।

নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশন, দুর্নীতি দমন সংস্কার কমিশন এবং নারী বিষয়ক সংস্কার কমিশনের সুপারিশে লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ ১১টি গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার বাস্তবায়ন করেছে। এর মধ্যে রয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন সংশোধন, নির্বাচন কমিশন সচিবালয় আইন সংশোধন, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ সংশোধন, রাজনৈতিক ও নির্বাচনী অর্থায়নে স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণ, ভোটার তালিকা হালনাগাদ, ডাকযোগে ভোট প্রদানের ব্যবস্থা সম্প্রসারণ।

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) মতে, সব সংস্কার কমিশনের কাছ থেকে সংগৃহীত অন্তর্বর্তী মেয়াদে আশু বাস্তবায়নযোগ্য সুপারিশমালা নিয়ে সরকারের পদক্ষেপ সম্পর্কে কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া বাস্তবে দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি হয়নি। অন্যদিকে প্রথম পর্যায়ে গঠিত ছয়টির বাইরে গণমাধ্যম, স্বাস্থ্য, নারীবিষয়ক, শ্রম ও স্থানীয় সরকার সংস্কার কমিশন এবং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অবস্থার ওপর শ্বেতপত্র ইত্যাদি থেকে প্রাপ্ত সুপারিশ বাস্তবায়ন সম্পর্কে কোনো কর্মপরিকল্পনা নেই। সর্বোপরি অন্তর্বর্তী সরকার সংস্কারের নামে যতটুকুই করেছে তার প্রায় সব ক্ষেত্রেই বাস্তবে লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়েছে। 

দুর্নীতি দমন কমিশন সংস্কার বিষয়ক কমিশনের প্রধান ও টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার সংস্কার প্রতিরোধক মহলকে প্রতিহত করতে ব্যর্থ হয়েছে। এ অপশক্তির কাছে আত্মসমর্পণের ফলে অনেক গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ বাতিল এবং সংস্কারপরিপন্থি অনেক সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে, এমনকি জুলাই সনদকে যুক্তিহীনভাবে লঙ্ঘন করে এমন নেতিবাচক উদাহরণ সৃষ্টি করা হয়েছে, যা পরবর্তী সরকারেরও অনুসরণ করার ঝুঁকি রয়েছে। বিশেষ করে আমলাতন্ত্রের একাংশের অন্তর্ঘাতমূলক অপশক্তির কাছে সরকারের নতি স্বীকারের ফলে সংস্কার লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়েছে। 

বাংলাদেশের বিদ্যমান অর্থনৈতিক অবস্থার শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটির প্রধান এবং সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মানীয় ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেছেন, বর্তমান সরকারের ক্ষেত্রে একটি বড় সীমাবদ্ধতা হলো, এ সরকারের সংস্কারকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় পূর্ণাঙ্গ কিংবা ন্যূনতম রাজনৈতিক দর্শন ছিল না। সে অর্থে সরকারের কোনো সুসংহত রাজনৈতিক ম্যানিফেস্টোও ছিল না, যা সংস্কার কার্যক্রমকে একটি নির্দিষ্ট কাঠামোর মধ্যে পরিচালিত করতে পারত। 

নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের সদস্য ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, সংস্কার কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়ন নিয়ে শুরু থেকেই বেশকিছু সমস্যা ছিল। তাঁর মতে, ঐকমত্য কমিশন বিভিন্ন কমিশনের প্রস্তাব থেকে মাত্র ছয়টি সংস্কারের বিষয় গ্রহণ করেছে, যেগুলো নিয়ে কিছুটা আলোচনা হয়েছে। বাকি পাঁচটি কমিশন প্রস্তাবের সুপারিশ নিয়ে কার্যত কোনো আলোচনা হয়নি। তিনি বলেন, পুলিশ সংস্কারের বিষয়টি স্পষ্টভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। শুধু তাই নয়, অন্যান্য সংস্কার কমিশনের সুপারিশ নিয়েও রাজনৈতিক দলগুলো প্রকৃত অর্থে সম্পৃক্ত হয়নি। 

রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগে সহকারী অধ্যাপক রাশেদা রওনক খান বলেন, বাংলাদেশে সংস্কারের প্রসঙ্গ আগেও এসেছে কিন্তু রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় এসে অনেক কিছুই বাস্তবায়ন করেনি বরং নিজেদের ইচ্ছেমতো সংবিধান সংশোধন করেছে। তবে শেষ পর্যন্ত বাস্তবায়ন নির্ভর করবে জনগণের ম্যান্ডেটের ওপর।

Advertisement
এদিনের সব

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মো. সাইদুল ইসলাম সাজু
নির্বাহী সম্পাদক: খন্দকার মোজাম্মেল হক

শরীয়তপুর প্রিন্টিং প্রেস ২৮/বি, টয়েনলি সার্কুলার রোড, মতিঝিল-১০০০, ঢাকা থেকে মুদ্রিত

যোগাযোগ করুন

টাওয়ার-এ (২য় তলা), হাউস-১৩, রোড-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩।

০২-২২৬৬০৩৩৫২

০১৮৯৭-৬৬৪৬৫৬

ইমেইল : dailyadinbd@gmail.com

আমাদের সোশ্যাল মিডিয়া

facebookyoutubetiktok

© স্বত্ব ২০২৬, দৈনিক এদিন

Design & Developed byBongosoft Ltd.