এই গভীর জীবনদর্শনমূলক বাণীটি প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক ডেমোক্রিটাস–এর। উক্তিটির অন্তর্নিহিত ভাবনা হলো—মানুষের জীবনে সততার গুরুত্ব অপরিসীম। ব্যক্তি নিজে সৎ না হলে তার পক্ষে নৈতিক ও সুন্দর জীবনযাপন সম্ভব নয়। আর যদি কোনো কারণে নিজে সম্পূর্ণ সৎ হওয়া কঠিন হয়ে পড়ে, তবে অন্তত সৎ মানুষের সান্নিধ্য ও অনুসন্ধান জীবনের পথকে আলোকিত করতে পারে।
ডেমোক্রিটাস মনে করতেন, সততা মানুষের চরিত্রকে দৃঢ় করে এবং সমাজকে সুস্থ ও ভারসাম্যপূর্ণ রাখে। সৎ মানুষের সঙ্গ মানুষকে অনুপ্রাণিত করে, নৈতিক শক্তি জোগায় এবং ভুল পথ থেকে ফিরিয়ে আনে। বিপরীতে অসৎ সঙ্গ মানুষের বিবেককে অবক্ষয়ের দিকে ঠেলে দেয়।
এই বাণীর মাধ্যমে ডেমোক্রিটাস মূলত দুটি পথের কথা বলেছেন একটি আদর্শ, অন্যটি সহায়ক। আদর্শ হলো নিজেকে সৎ হিসেবে গড়ে তোলা, আর সহায়ক পথ হলো সৎ মানুষকে খুঁজে নেওয়া, যাতে তাদের চিন্তা, আচরণ ও মূল্যবোধ আমাদের জীবনকে প্রভাবিত করে। উভয় পথই মানুষকে সত্য, ন্যায় ও মানবিকতার দিকে এগিয়ে নেয়।
আজকের জটিল ও প্রতিযোগিতামূলক সমাজে এই বাণীর তাৎপর্য আরও বেশি। ব্যক্তিগত জীবন, কর্মক্ষেত্র কিংবা সামাজিক পরিসর সবখানেই সততা মানুষকে সম্মান, বিশ্বাস ও স্থায়িত্ব এনে দেয়।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









