এই গভীর তাৎপর্যপূর্ণ বাণীটি প্রাচীন গ্রিসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ দার্শনিক অ্যারিস্টটল এর। উক্তিটির মাধ্যমে তিনি মানুষের জীবনে প্রকৃত বন্ধুত্বের অপরিসীম গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। অ্যারিস্টটলের মতে, ধন-সম্পদ, ক্ষমতা বা খ্যাতি থাকলেও প্রকৃত বন্ধু না থাকলে মানুষের জীবন অপূর্ণ থেকে যায়।
অ্যারিস্টটল বন্ধুত্বকে কেবল সামাজিক সম্পর্ক হিসেবে দেখেননি, বরং তিনি একে নৈতিক ও আত্মিক বন্ধন হিসেবে বিবেচনা করেছেন। তাঁর দর্শনে প্রকৃত বন্ধু সেই ব্যক্তি, যে সুখে-দুঃখে পাশে থাকে, নিঃস্বার্থভাবে কল্যাণ কামনা করে এবং সত্যের পথে চলতে সাহস জোগায়। এমন বন্ধুত্ব মানুষকে মানসিক শক্তি দেয় এবং জীবনের কঠিন সময়গুলো অতিক্রম করতে সহায়তা করে।
মানুষ সামাজিক জীব এবং এই সামাজিকতার পূর্ণতা আসে আন্তরিক বন্ধুত্বের মাধ্যমে। যে ব্যক্তি জীবনে প্রকৃত বন্ধু লাভ করতে ব্যর্থ হয়, সে এক অর্থে একাকী ও দুর্ভাগ্যবান, কারণ বন্ধুত্ব ছাড়া আনন্দও অসম্পূর্ণ, দুঃখও অসহনীয় হয়ে ওঠে।
আজকের ব্যস্ত ও আত্মকেন্দ্রিক সমাজে অ্যারিস্টটলের এই বাণী আরও বেশি প্রাসঙ্গিক। অসংখ্য পরিচিত মানুষ থাকলেও প্রকৃত বন্ধু পাওয়া ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









