এই গভীর ও তাৎপর্যপূর্ণ বাণীটি বিপ্লবী নেতা চে গেভারার চিন্তা ও জীবনদর্শনের প্রতিফলন। সংগ্রাম, প্রতিবাদ ও আদর্শের পথে চলা একজন মানুষের কাছে নীরবতাও যে এক শক্তিশালী ভাষা হতে পারেন এই সত্যই তিনি এই উক্তির মাধ্যমে প্রকাশ করেছেন।
১৯২৮ সালের ১৪জুন আর্জেন্টিনার রোসারিওতে এর্নেস্তো গেভারা জন্ম গ্রহণ করেন। ছোটবেলা থেকেই তার চরিত্রে অস্থির চপলতা দেখে তার বাবা বুঝতে পেরেছিলেন যে আইরিশ বিদ্রোহের রক্ত তার এই ছেলের ধমনীতে বহমান। একটি সমাজতান্ত্রিক রাজনৈতিক ধারার পরিবারে বেড়ে ওঠার কারণে খুব অল্প বয়সেই তিনি রাজনীতি সম্পর্কে বিশদ জ্ঞান লাভ করেন।
চে গেভারার মতে, সব সময় উচ্চকণ্ঠে কথা বলাই যুক্তির প্রকাশ নয়। অনেক ক্ষেত্রে নীরবতাই সবচেয়ে গভীর প্রতিবাদ, সবচেয়ে স্পষ্ট সম্মতি কিংবা সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থান হয়ে ওঠে। শোষণ, অন্যায় ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে সংগ্রামে নীরবতা কখনো কখনো পরিস্থিতির গভীরতা ও জটিলতাকে আরও স্পষ্টভাবে তুলে ধরে।
আজকের কোলাহলপূর্ণ ও মতামত-আক্রমণে ভরা সমাজে চে গেভারার এই উক্তি আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় সব সত্য উচ্চারণে নয়, কিছু সত্য নীরবতার মধ্যেই সবচেয়ে স্পষ্ট হয়ে ওঠে।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









