এই অমর উচ্চারণটি ভাষা আন্দোলনের অগ্নিগর্ভ দিনগুলোর এক অদম্য সাহসী ঘোষণা। সাহিত্যিক ও চলচ্চিত্রকার জহির রায়হানের কলমে উচ্চারিত এই বাক্য কেবল একটি সংলাপ নয়, এটি ছিল প্রতিরোধের শপথ, সংগ্রামের অঙ্গীকার।
১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে এই উক্তির জন্ম। ফাল্গুন মাস, যে মাসে বাংলা ভাষার জন্য বাঙালি রক্ত দিয়েছিল সেই ফাল্গুনকে সামনে রেখেই উচ্চারিত হয়েছিল এই দৃপ্ত ঘোষণা। এর মর্মার্থ ছিল স্পষ্ট: দমন-পীড়ন, গ্রেপ্তার বা গুলি আন্দোলনকে স্তব্ধ করতে পারবে না, বরং প্রতিটি আত্মত্যাগ আন্দোলনের শক্তিকে আরও বহুগুণে বৃদ্ধি করবে।
“দ্বিগুণ হবো” এখানে সংখ্যার হিসাব নয়, বরং মনোবল ও ঐক্যের প্রতীক। শাসকের দমননীতির বিপরীতে এটি ছিল এক সাহসী প্রত্যয় প্রতিটি শহীদের রক্ত নতুন সংগ্রামী জন্ম দেবে, প্রতিটি বাধা নতুন উদ্দীপনার সঞ্চার করবে। সত্য ও অধিকারের দাবিতে মানুষের কণ্ঠ দমিয়ে রাখা যায় না; বরং তা আরও প্রবল হয়ে ফিরে আসে।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









