উপমহাদেশের কৃষকসমাজের ন্যায্য অধিকার ও সামাজিক ন্যায়বিচারের প্রশ্নে এক ঐতিহাসিক স্লোগান হিসেবে উচ্চারিত হয়েছিল শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের এই বাণী। এর মূল তাৎপর্য হলো- যে কৃষক জমি চাষ করে, শ্রম দেয় এবং উৎপাদন ঘটায়, সেই প্রকৃতপক্ষে জমির অধিকারী হওয়ার যোগ্য।
এই উক্তি জমিদারি প্রথা ও শোষণমূলক ভূমিব্যবস্থার বিরুদ্ধে কৃষকের ন্যায্য অধিকারের দাবিকে শক্তভাবে তুলে ধরে। এখানে ‘লাঙ্গল’ প্রতীক হয়ে উঠেছে কৃষকের শ্রম, ঘাম ও উৎপাদনের আর ‘জমি’ অর্থনৈতিক নিরাপত্তা ও সামাজিক মর্যাদার প্রতীক। অর্থাৎ, শ্রমই মালিকানার ভিত্তি এই মানবিক ও অর্থনৈতিক ন্যায়বোধের ঘোষণা এতে প্রতিফলিত হয়েছে।
শেরে বাংলা ফজলুল হক ছিলেন বাংলার কৃষক-জনতার কণ্ঠস্বর। তাঁর রাজনৈতিক দর্শনের কেন্দ্রে ছিল গ্রামীণ মানুষ, বিশেষত কৃষকের মুক্তি ও মর্যাদা এটি শ্রমের মর্যাদা, ন্যায্য অধিকার ও সামাজিক ন্যায় প্রতিষ্ঠার এক চিরন্তন ঘোষণা।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









