জনগণের জীবনসংগ্রাম ও বাস্তবতার মাটির কাছাকাছি রাজনীতির দর্শনকে সংক্ষিপ্ত অথচ গভীরভাবে প্রকাশ করে মাওলানা ভাসানীর এই বাণী। এর মূল বক্তব্য হলো প্রকৃত রাজনীতি কোনো গ্রন্থের তত্ত্বে নয়, বরং সাধারণ মানুষের দুঃখ-কষ্ট, আশা-আকাঙ্ক্ষা এবং সমাজ-পরিবেশের বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে অর্জিত হয়।
এখানে ‘সাধারণ মানুষ’ মানে সমাজের বৃহত্তর জনগোষ্ঠী—কৃষক, শ্রমিক, মেহনতি মানুষ; আর ‘পরিবেশ’ মানে সামাজিক-অর্থনৈতিক বাস্তবতা ও সময়ের প্রেক্ষাপট। রাজনীতি শিখতে হলে জনগণের জীবনের সঙ্গে একাত্ম হতে হয়, তাদের সমস্যাকে নিজের সমস্যা হিসেবে অনুভব করতে হয়। তবেই নেতৃত্ব সত্যিকার অর্থে গণমুখী ও মানবকল্যাণমুখী হয়ে ওঠে।
মজলুম জননেতা হিসেবে পরিচিত মাওলানা ভাসানীর সমগ্র রাজনৈতিক জীবন ছিল সাধারণ মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে নিবেদিত। তাঁর এই বাণী সেই জীবনদর্শনেরই প্রতিফলন যেখানে রাজনীতি ক্ষমতার চর্চা নয়, বরং মানুষের পাশে দাঁড়ানোর নৈতিক দায়িত্ব।
রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬, ১৬ ফাল্গুন ১৪৩২
‘রাজনীতি শিখিতে হয় সাধারণ মানুষ আর পরিবেশ হইতে’

রায়

সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









