ব্যাট ও বল দুই বিভাগেই দারুণ নৈপুণ্য দেখিয়ে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ৩৪ রানের জয় তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ। এই জয়ে তিন ম্যাচের সিরিজে ১-১ সমতা ফিরিয়েছে টাইগাররা। এখন রবিবারের শেষ ম্যাচই নির্ধারণ করবে সিরিজের ভাগ্য।
শুক্রবার (১৭ জুলাই) বুলাওয়ের কুইন্স স্পোর্টস ক্লাবে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে দুর্দান্ত সূচনা এনে দেন দুই ওপেনার সাইফ হাসান ও তানজিদ হাসান তামিম। উদ্বোধনী জুটিতে তারা যোগ করেন ১২০ রান, যা বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ওপেনিং জুটি। দুজনই তুলে নেন ব্যক্তিগত অর্ধশতক।
তবে এই জুটির পরই হঠাৎ ব্যাটিং ধস নামে। মাত্র ২১ রানের মধ্যে সাজঘরে ফেরেন সাইফ হাসান, তানজিদ তামিম, তাওহীদ হৃদয়, পারভেজ হোসেন ইমন ও নুরুল হাসান সোহান। ১৬.৫ ওভারে ৫ উইকেটে ১৪১ রান থেকে দলকে বড় সংগ্রহ এনে দেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ও ইয়াসির আলি।
শেষ ১৯ বলে এই জুটি যোগ করেন অবিচ্ছিন্ন ৪৫ রান। সাইফউদ্দিন মাত্র ১০ বলে ৪টি ছক্কা ও একটি চারের সাহায্যে অপরাজিত ৩১ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন। অন্যদিকে ইয়াসির আলি ১২ বলে ২২ রান করে অপরাজিত থাকেন। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৮৬ রানের চ্যালেঞ্জিং সংগ্রহ দাঁড় করায় বাংলাদেশ।
১৮৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই চাপে পড়ে জিম্বাবুয়ে। ২১ রানেই হারায় ৩ উইকেট। এরপর অধিনায়ক সিকান্দার রাজা ও মিল্টন শুম্বা ৪৪ রানের জুটি গড়ে প্রতিরোধের চেষ্টা করলেও নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় স্বাগতিকরা।
বাংলাদেশের হয়ে বল হাতে সবচেয়ে সফল ছিলেন লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন। তিনি ৩.৪ ওভারে ২৬ রান দিয়ে ৪টি উইকেট শিকার করেন। অলরাউন্ড পারফরম্যান্সে ব্যাট হাতে ৩১ রান করার পাশাপাশি একটি উইকেটও নেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। শেষ পর্যন্ত ১৯.৪ ওভারে ১৫২ রানে অলআউট হয় জিম্বাবুয়ে।
উল্লেখ্য, সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ১৭১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ১৩৮ রানে গুটিয়ে গিয়ে ৩২ রানে হেরেছিল বাংলাদেশ। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে দারুণ প্রত্যাবর্তন করে সিরিজে সমতা ফিরিয়েছে টাইগাররা। এখন রোববারের শেষ ম্যাচের জয়ী দলই সিরিজ নিজেদের করে নেবে।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









