ম্যাকাইয়ের গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ এরেনায় যেন বাংলাদেশ ক্রিকেটের এক কালো অধ্যায় লেখা হলো। সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম ইনিংসে মাত্র ৩৪ ওভারে ৬৪ রানে গুটিয়ে গেছে বাংলাদেশ। তবে এই বিপর্যয়ের মাঝেও বিরল এক রেকর্ড গড়েছেন পেসার শরিফুল ইসলাম।
১১ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ১৪ রান করেন শরিফুল। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্টে ১১ নম্বরে নেমে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হওয়ার ঘটনা এবারই প্রথম।
টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে এটি ১৩তমবার, যখন কোনো দলের ১১ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নামা ক্রিকেটার দলের সর্বোচ্চ রান করেছেন। শরিফুলের পর বাংলাদেশের হয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১২ রান করেছেন ৯ নম্বরে নামা তাইজুল ইসলাম।
বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসে এর আগে এমন কীর্তি গড়েছিলেন শুধু তালহা জুবায়ের। ২০০৪ সালে চট্টগ্রামে ভারতের বিপক্ষে ১১ নম্বরে নেমে দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩১ রান করেছিলেন তিনি। ওই ইনিংসে ১২৪ রানে অলআউট হয়েছিল বাংলাদেশ।
এবারের ৬৪ রান বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসের চতুর্থ সর্বনিম্ন দলীয় সংগ্রহ। একপর্যায়ে ৩৯ রানেই ৯ উইকেট হারিয়েছিল বাংলাদেশ। শেষ উইকেটে তাইজুল ইসলাম ও শরিফুল ইসলামের ২৫ রানের জুটিতে আগের তিনটি সর্বনিম্ন দলীয় সংগ্রহের রেকর্ড থেকে রক্ষা পায় বাংলাদেশ।
এর আগে ২০১৮ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৪৩, ২০২২ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ৫৩ এবং ২০০৭ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৬২ রানে অলআউট হয়েছিল বাংলাদেশ।
বাংলাদেশের এই ব্যাটিং বিপর্যয়ের মূল কারিগর ছিলেন মিচেল স্টার্ক। বাঁহাতি এই পেসার একপর্যায়ে মাত্র ২২ বলেই ৫ উইকেট তুলে নেন। শেষ পর্যন্ত ১০ ওভারে ৬ মেডেনসহ মাত্র ১২ রান দিয়ে ৬ উইকেট শিকার করেন স্টার্ক। তাঁর বিধ্বংসী বোলিংয়েই মাত্র ৬৪ রানে থামে বাংলাদেশের ইনিংস।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









