রবিবার (১১ জানুয়ারি) থেকে শুরু হচ্ছে জাতীয় যুব হ্যান্ডবল প্রতিযোগিতা। এবারের আসরে দশটি জেলা অংশ নিচ্ছে, যা দুটি গ্রুপে ভাগ হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। প্রতিটি গ্রুপের শীর্ষ দুটি দল সেমিফাইনালে উঠবে। টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ১৫ জানুয়ারি।
এর আগের আসরগুলোতে হ্যান্ডবল ফেডারেশন বেশি সংখ্যক গ্রুপে টুর্নামেন্ট আয়োজন করত, ফলে অনেক দল দুটির বেশি ম্যাচ খেলার সুযোগ পেত না। এবার গ্রুপ সংখ্যা কমিয়ে এমনভাবে সূচি সাজানো হয়েছে, যাতে প্রতিটি দল অন্তত চারটি করে ম্যাচ খেলার সুযোগ পায়। এবারের যুব হ্যান্ডবল প্রতিযোগিতার পৃষ্ঠপোষকতা করছে টিসিএল।
অনেক জেলায় নিয়মিত হ্যান্ডবল লিগ থাকলেও জাতীয় যুব হ্যান্ডবলে অংশগ্রহণকারী দলের সংখ্যা কম কেন এমন প্রশ্নের জবাবে হ্যান্ডবল ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন,“অনেক জেলা ক্রীড়া সংস্থা এখনো সক্রিয় নয়। জেলা প্রশাসকরা এই মুহূর্তে খেলাধুলাকে প্রয়োজনীয় গুরুত্ব ও অগ্রাধিকার দিতে পারছেন না।”
তিনি আরও জানান, জেলা প্রশাসক পদাধিকার বলে জেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি। বর্তমানে অধিকাংশ জেলায় অ্যাডহক কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে জেলা প্রশাসকরাই দায়িত্ব পালন করছেন। প্রশাসনিক নানা দায়িত্বে ব্যস্ত থাকায় খেলাধুলায় প্রত্যাশিত মনোযোগ দেওয়া অনেক সময় সম্ভব হয় না।
শনিবার (১০ জানুয়ারি) বিকেলে হ্যান্ডবল স্টেডিয়ামে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে টুর্নামেন্ট কমিটির পক্ষ থেকে মকবুল দল নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানান,“জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপে সার্ভিসেস সংস্থার বাইরে থাকা দলগুলোর মধ্যে যারা শীর্ষ দশে রয়েছে, তাদের নিয়েই এবারের জাতীয় যুব হ্যান্ডবল আয়োজন করা হয়েছে।”
ফেডারেশনের আশা, নতুন এই কাঠামোর মাধ্যমে খেলোয়াড়রা বেশি ম্যাচ খেলার সুযোগ পাবে এবং যুব হ্যান্ডবলের মান আরও উন্নত হবে।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









