জাতীয় বাজেট নিয়ে রাজধানীর বিভিন্ন বাজার, বিপণিবিতান, কাঁচাবাজার ও ক্ষুদ্র ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে এখন আলোচনা তুঙ্গে। মুদি দোকানদার থেকে শুরু করে কাপড় ব্যবসায়ী, ক্ষুদ্র উৎপাদক কিংবা মৌসুমি ব্যবসায়ী সবারই একটি সাধারণ প্রশ্ন, বাজেটের পর আবার কি সবকিছুর দাম বাড়বে? বিগত কয়েক বছরে মূল্যস্ফীতির চাপ, জ্বালানি ব্যয় বৃদ্ধি, পরিবহন খরচ এবং ব্যাংক ঋণের উচ্চ সুদের কারণে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা নানা সংকটে পড়েছেন।
অনেক ব্যবসায়ী বলছেন, ব্যবসার খরচ বাড়লেও বিক্রি সেই অনুপাতে বাড়ছে না। ফলে লাভ কমে যাচ্ছে এবং অনেকেই টিকে থাকার লড়াই করছেন। ঠিক এই মুহূর্ত জাতীয় বাজেটকে ঘিরে সাধারণ মানুষের মধ্যে যেমন আগ্রহ থাকে, তেমনি থাকে ব্যবসায়ী সমাজেরও নানা প্রত্যাশা ও উদ্বেগ। বিশেষ করে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা প্রতি বছর বাজেট ঘোষণার আগে এক ধরনের অনিশ্চয়তার মধ্যে থাকেন।
কারণ তাদের কাছে বাজেট মানেই যেন নতুন করে পণ্যের দাম বৃদ্ধি, পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি কিংবা ব্যবসা পরিচালনার খরচ বেড়ে যাওয়া। তবে এবার নতুন সরকারের প্রথম জাতীয় বাজেট সামনে রেখে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা আশা করছেন ভিন্ন কিছু। তারা চান এমন একটি বাজেট, যা ব্যবসাকে আরো সহজ করবে, বাজারকে স্থিতিশীল রাখবে এবং সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক হবে।
আসন্ন জাতীয় বাজেটকে কেন্দ্র করে প্রতিবছরের মতো এবারো সাধারণ মানুষের মনে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়া নিয়ে এক ধরণের প্রথাগত আতঙ্ক কাজ করছে। তবে অর্থনীতিবিদ ও নীতি-নির্ধারকদের মতে, বাজেট মানেই ঢালাওভাবে দাম বৃদ্ধি নয়; বরং সঠিক নীতি ও কৌশলী পদক্ষেপের মাধ্যমে এটি বাজারকে আরও স্থিতিশীল ও সহনশীল করতে পারে। একটি জনবান্ধব বাজেট সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় স্বস্তি ফিরিয়ে আনতে অন্যতম বড় হাতিয়ার হতে পারে।
সাধারণত বাজেট ঘোষণার আগেই একশ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ী চক্র কারসাজি করে পণ্যের দাম বাড়িয়ে দেয়, যার দায় গিয়ে পড়ে বাজেটের ওপর। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাজেটে করের পুনর্বিন্যাস, দেশীয় শিল্পে প্রণোদনা এবং আমদানি শুল্ক হ্রাসের মতো ইতিবাচক পদক্ষেপ থাকে, যা অনেক পণ্যের উৎপাদন খরচ কমিয়ে দেয়। ফলে নিয়ম অনুযায়ী বহু পণ্যের দাম কমার কথা। সরকার যদি কঠোর বাজার মনিটরিং নিশ্চিত করতে পারে, তবে বাজেটের সুফল সরাসরি সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছানো সম্ভব।
বাজেট মানেই শুধু সরকারের আয়-ব্যয়ের হিসাব নয়; এটি অর্থনীতির বিভিন্ন স্তরে সুবিধা, দায় ও চাপের নতুন হিসাবও। সরকারের কাছে এটি উন্নয়ন ব্যয় নির্বাহ, রাজস্ব বাড়ানোর পরিকল্পনা, ঘাটতি সামাল দেয়ার কৌশল এবং অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের রূপরেখা। কিন্তু সাধারণ মানুষের কাছে বাজেটের অর্থ—বাজারে দাম বাড়া, ব্যবসায় বাড়তি ব্যয়, সংসারের খরচের নতুন হিসাব এবং দৈনন্দিন জীবনে নতুন চাপ। এই প্রক্রিয়ায় কোথাও কর ছাড় দেওয়া হয়, কোথাও প্রণোদনা বাড়ানো হয়, আবার কোথাও নতুন কর বা ভ্যাট আরোপ করা হয়। কারণ সরকারের বাড়তি ব্যয়ের অর্থ শেষ পর্যন্ত জোগাড় করতে হয় রাজস্ব থেকেই।
আর সেই রাজস্ব আসে বিদ্যমান অর্থনীতি থেকে, যার কারিগর সাধারণ মানুষ, ভোক্তা, ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীরা। ফলে বাজেটের প্রতিটি সিদ্ধান্ত কোনো না কোনোভাবে বাজার, ব্যবসা, বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান এবং মানুষের দৈনন্দিন জীবনকে সরাসরি স্পর্শ করে।
তাই বাজেটের অঙ্ক যত বড় হয়, তার প্রভাবও তত বিস্তৃত হয়। আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার সম্ভাব্য বাজেটও সেই চিরচেনা বাস্তবতাকে সামনে নিয়ে এসেছে। নতুন করে ভাবনা শুরু হয়েছে সরকারের আয় বাড়ানোর এই প্রচেষ্টার চাপ শেষ পর্যন্ত কোথায়, কার কাঁধে কতটা গিয়ে পড়বে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এই বাজেট উপস্থাপন করবেন। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ঝুঁকি মোকাবিলা, অর্থনীতি পুনরুদ্ধার, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান সম্প্রসারণ—এসব লক্ষ্যকে সামনে রেখেই বাজেটটি সাজানো হচ্ছে। এর পাশাপাশি ভর্তুকি কার্যক্রম অব্যাহত রাখা, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে ব্যয় বাড়ানো, ঋণের সুদ পরিশোধের চাপ সামাল দেয়া এবং সরকারি কর্মচারীদের জন্য প্রস্তাবিত নতুন বেতনকাঠামোর সুপারিশ আংশিক বাস্তবায়নের বিষয়ও বিবেচনায় রয়েছে।
তবে এসব ব্যয় মেটাতে সরকারের জন্য সবচেয়ে বড় পরীক্ষা রাজস্ব সংগ্রহ। কারণ অর্থনীতির বর্তমান বাস্তবতায় প্রত্যাশা অনুযায়ী রাজস্ব আদায়ই এখন বাজেট বাস্তবায়নের প্রধান চ্যালেঞ্জ। আগামী অর্থবছরে সরকারের মোট রাজস্ব আয়ের লক্ষ্য ধরা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকেই সংগ্রহ করতে হবে ৬ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা। আর আয়-ব্যয়ের হিসাবে মাঝখানে বাজেট ঘাটতি রাখা হচ্ছে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা।
অনেকের কাছে বাজেট মানেই ভ্যাট বৃদ্ধি, কর বৃদ্ধি কিংবা পণ্যের দাম বাড়ার ঘোষণা। অর্থনীতিবিদরা মনে করেন, এই ধারণা পুরোপুরি সঠিক নয়। একটি সঠিক ও বাস্তবমুখী বাজেট ব্যবসার পরিবেশ উন্নত করতে পারে, উৎপাদন ব্যয় কমাতে পারে এবং বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে পারে। তাই ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের মধ্যেও বাজেট সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো প্রয়োজন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশের মোট কর্মসংস্থানের একটি বড় অংশ ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প খাতের মাধ্যমে সৃষ্টি হয়। তাই এই খাতকে শক্তিশালী করা মানে অর্থনীতির ভিতকে আরও মজবুত করা। কিন্তু বাস্তবতা হলো, অনেক ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা এখনো জানেন না বাজেটে তাদের জন্য কী সুযোগ-সুবিধা থাকে কিংবা নীতিগত সিদ্ধান্তগুলো তাদের ব্যবসায় কী প্রভাব ফেলে।
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) বিশেষ ফেলো ড. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, চলতি অর্থবছরে রাজস্ব ঘাটতি ১ লাখ কোটি টাকার কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে। সেই বাস্তবতায় আগামী বছরের লক্ষ্যমাত্রা অত্যন্ত উচ্চাভিলাষী। তার মতে, বাজেটে যেসব খাতে ছাড় দেয়া হবে, সেখানকার রাজস্ব ঘাটতি অন্য খাতে বাড়তি কর ও ভ্যাট আরোপ করেই পূরণ করতে হবে। এর বিকল্প বাস্তবে খুব সীমিত।
প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর অবশ্য বলছেন, মানুষের ক্রয়ক্ষমতা ও সামাজিক বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়েই আগামী অর্থবছরের কর-ভ্যাট ও রাজস্বনীতি নির্ধারণ করা হবে। যদিও সাবেক অর্থসচিব মুসলিম চৌধুরীর মতে, শুধু কর বাড়িয়ে কাঙ্ক্ষিত রাজস্ব পাওয়া কঠিন। করের হার বাড়ানোর চেয়ে কর প্রশাসনের পূর্ণাঙ্গ ডিজিটালাইজেশন, নগদ অর্থের ব্যবহার কমানো এবং স্থানীয় পর্যায়ে প্রশাসনিক সক্ষমতা বাড়ানো বেশি কার্যকর হবে।
রাজধানীর মোহাম্মদপুর নবোদয় হাউজিংয়ের একটি মুদি দোকানের ব্যবসায়ী সামির হোসেন বলেন, প্রতি বছর বাজেটের আগে থেকেই কিছু কিছু পণ্যের দাম বাড়তে শুরু করে। পরে দেখা যায় বাজারে নতুন অজুহাত তৈরি হয়। আমরা চাই এবার এমন বাজেট হোক যাতে সাধারণ মানুষ এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী উভয়েই স্বস্তি পায়।
টাউনহল বাজারের ফল ব্যবসায়ী সাইফ আলী অভিযোগ করে বলেন, বাজেট প্রণয়নের সময় বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও করপোরেট খাতের বিষয়গুলো বেশি গুরুত্ব পায়। অথচ দেশের অর্থনীতির বড় একটি অংশ পরিচালিত হয় ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের মাধ্যমে। কর্মসংস্থান সৃষ্টি, স্থানীয় অর্থনীতিকে সচল রাখা এবং পণ্য সরবরাহ ব্যবস্থাকে টিকিয়ে রাখতে এই খাতের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের অন্যতম বড় সমস্যা হলো অর্থায়ন। ব্যাংক থেকে ঋণ নিতে গেলে নানা ধরনের কাগজপত্র, জামানত এবং দীর্ঘ প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হতে হয়। ফলে অনেক উদ্যোক্তা প্রয়োজনীয় মূলধন সংগ্রহ করতে পারেন না। বাধ্য হয়ে তারা অনানুষ্ঠানিক উৎস থেকে উচ্চ সুদে ঋণ নেন, যা ব্যবসার জন্য অতিরিক্ত চাপ তৈরি করে। আগারগাঁও তালতলা বাজারের সবজি ব্যবসায়ী রফিক মিয়া বলেন, সহজ শর্তে ঋণ পাওয়া গেলে তারা ব্যবসা সম্প্রসারণ করতে পারবেন। একই সঙ্গে নতুন কর্মসংস্থানও সৃষ্টি হবে। তাই এবারের বাজেটে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য স্বল্প সুদে ঋণ এবং সহজ অর্থায়নের সুযোগ বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন তারা।
বাজার বিশ্লেষকরা মনে করেন, বড় ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট ও বাজার নিয়ন্ত্রণের প্রবণতাও পণ্যের মূল্য বৃদ্ধির অন্যতম কারণ। অনেক সময় বাজেট ঘোষণার আগেই কিছু ব্যবসায়ী সম্ভাব্য কর বৃদ্ধি বা শুল্ক পরিবর্তনের অজুহাতে পণ্যের দাম বাড়িয়ে দেন। এর প্রভাব পড়ে সাধারণ ভোক্তা এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ওপর। কারণ বড় ব্যবসায়ীদের কাছ থেকেই পণ্য কিনে খুচরা পর্যায়ে বিক্রি করতে হয়।
অর্থনীতিবিদদের মতে, বাজেটকে কেন্দ্র করে কৃত্রিম সংকট ও অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি রোধে কার্যকর বাজার তদারকি প্রয়োজন। একই সঙ্গে সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখা এবং বাজারে প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করতে হবে।
বর্তমান সময়ে ডিজিটাল অর্থনীতি দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে। মোবাইল ব্যাংকিং, অনলাইন পেমেন্ট এবং ডিজিটাল লেনদেন ব্যবসাকে সহজ করছে। কিন্তু অনেক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী এখনো এই ব্যবস্থার বাইরে রয়েছেন। তবে, ডিজিটাল লেনদেনে উৎসাহ দিতে কর সুবিধা, প্রশিক্ষণ এবং প্রযুক্তিগত সহায়তা বাড়ানো হলে ক্ষুদ্র ব্যবসার কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে। এছাড়া উদ্যোক্তা উন্নয়ন কার্যক্রম, ব্যবসা ব্যবস্থাপনা প্রশিক্ষণ, বাজার সম্প্রসারণ এবং পণ্যের মান উন্নয়নে সরকারি সহায়তা বাড়ানোরও দাবি রয়েছে। কারণ শুধু অর্থায়ন নয়, দক্ষতা ও বাজার সংযোগও একটি ব্যবসার সফলতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
মূল্যস্ফীতির বর্তমান চাপ মোকাবিলা করাও এবারের বাজেটের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ। খাদ্যপণ্য, নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী এবং কাঁচামালের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। উৎপাদন ব্যয় কমানো গেলে বাজারেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় কিছুটা কমবে। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মারুফ কিবরিয়া বলেন, তারা কোনো বিশেষ সুবিধা চান না। শুধু এমন একটি পরিবেশ চান যেখানে সৎভাবে ব্যবসা করে টিকে থাকা সম্ভব হবে। সহজ ঋণ, কম প্রশাসনিক জটিলতা, স্থিতিশীল বাজার এবং যৌক্তিক কর কাঠামো তাদের প্রধান প্রত্যাশা।
নতুন সরকারের প্রথম জাতীয় বাজেট। তাই শুধু রাজস্ব আয় বা উন্নয়ন ব্যয়ের হিসাব নয়। এটি দেশের লাখো ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর ভবিষ্যৎ প্রত্যাশারও প্রতিচ্ছবি। তারা আশা করছেন, এবারের বাজেটে এমন নীতিগত সহায়তা থাকবে যা ব্যবসা পরিচালনায় স্বস্তি দেবে, কর্মসংস্থান বাড়াবে এবং অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করবে। এখন অপেক্ষা শুধু বাজেট ঘোষণার।
ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের প্রশ্ন একটাই, বাজেট কি আবারও পণ্যের দাম বৃদ্ধির কারণ হবে, নাকি দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ করে তাদের জন্য স্বস্তির বার্তা নিয়ে আসবে? উত্তর মিলবে বাজেট ঘোষণার দিন। তবে অর্থনীতির বাস্তবতা বলছে, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের টিকিয়ে রাখা এবং শক্তিশালী করাই হতে পারে টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির অন্যতম প্রধান ভিত্তি। কারণ দেশের বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর জীবিকা, কর্মসংস্থান এবং স্থানীয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে এই ক্ষুদ্র ব্যবসা খাত। তাই ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের বাঁচিয়ে রাখার নৈতিক ও অর্থনৈতিক দায়িত্ব রাষ্ট্রেরই।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









