# গরুর মাংসের নামে বিক্রি হচ্ছে ঘোড়ার মাংস
# গরুর মাংস হিসেবে যাচ্ছে বিভিন্ন হোটেলে
# অসুস্থ এসব ঘোড়ার দাম গরুর তুলনায় খুবই কম
# গর্ভবতী ঘোড়াকেও রেহাই দিচ্ছে না দুর্বৃত্তরা
# এভাবে ঘোড়া নিধন চলতে থাকলে বিলুপ্তির শঙ্কা
# ইসলামও সায় দেয় না ঘোড়া খাওয়ার ব্যাপারে
দেশের মাংসের বাজারে এক ভয়ংকর ও অমানবিক প্রতারণার জাল বিস্তার করেছে একটি অসাধু চক্র। গরুর মাংসের উচ্চমূল্যের সুযোগ নিয়ে সাধারণ মানুষের পাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে কমদামে কেনা ঘোড়ার মাংস। রাতের আঁধারে রুগ্ণ ঘোড়া জবাই করে সেই মাংস পরদিন সকালে ‘তাজা গরুর মাংস’ হিসেবে বাজারে সরবরাহ করছে একটি সংঘবদ্ধ চক্র। অর্থাৎ বাংলা সিনেমা ‘আয়নাবাজি’র মতো গরুর বদলে গছিয়ে দেওয়া হচ্ছে ঘোড়া। সম্প্রতি নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, মুন্সীগঞ্জ, টাঙ্গাইল, জামালপুর, দিনাজপুর, পাবনাসহ আরো কয়েকটি জেলায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযানে বেরিয়ে এসেছে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, দেশের বিভিন্ন স্থান, বিশেষ করে উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন হাট থেকে কমদামে বয়স্ক ও অসুস্থ ঘোড়া সংগ্রহ করে এই চক্রটি। কারণ এসব ঘোড়ার দাম গরুর তুলনায় সাধারণত এক-তৃতীয়াংশ, ক্ষেত্রবিশেষে এক-চতুর্থাংশও হয়ে থাকে। সেগুলো কিনে ট্রাকযোগে নিয়ে আসা হয় ঢাকা ও আশপাশের শিল্পাঞ্চলগুলোতে। লোকচক্ষুর আড়ালে কোনো পরিত্যক্ত ঘর বা নির্জন স্থানে মধ্যরাতে চলে এসব ঘোড়া জবাইয়ের কাজ। এই ধারা চলতে থাকলে গ্রামীণ জনপদে এবং পর্যটন এলাকায় ঘোড়ার সংকট দেখা দেবে। ফলে ইতোমধ্যেই বিপন্ন হয়ে পড়া প্রাণীটি বাংলাদেশ থেকে বিলুপ্ত হয়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কয়েক দিন আগে মুন্সীগঞ্জ জেলার গজারিয়া উপজেলার আনারপুরা এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ১০০ মিটার দূরত্বে নির্জন একটি ঘর থেকে ভোরবেলা ১২টি জবাই করা ঘোড়ার মাংস জব্দ করা হয়। স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, কয়েক মাস ধরে রাতের আঁধারে আনারপুরা বাসস্ট্যান্ড-সংলগ্ন পল্লী বিদ্যুৎ সাবস্টেশনের পেছনে ওই পরিত্যক্ত ঘরে ঘোড়া জবাই করত একটি চক্র। দিনের বেলা ঘরের আশপাশে পশুর হাড়গোড় দেখা গেলেও প্রকৃত ঘটনা তাঁরা জানতেন না। বিষয়টি সন্দেহজনক হওয়ায় ওই ঘরের দিকে নজরদারি শুরু করেন গ্রামবাসী। ওই দিন ফজরের নামাজ শেষে স্থানীয় একজন সেখানে ঘোড়া জবাইয়ের বিষয়টি জানতে পারেন। পরে তিনি আশপাশের লোকজনকে নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ১২টি জবাই করা ঘোড়া দেখতে পান। স্থানীয় লোকজনের উপস্থিতি টের পেয়ে জড়িত ব্যক্তিরা দ্রুত পালিয়ে যায়। বিষয়টি জানাজানি হলে পুলিশ ও উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘোড়ার মাংস জব্দ করে মাটিচাপা দেন এবং জীবিত একটি রুগ্ণ ঘোড়া উদ্ধার করেন।
স্থানীয় তোফাজ্জল মিয়াজী বলেন, ‘আমরা যখন ভোরে ঘটনাস্থলে যাই, তখন ঘরের ভেতরে ও আশপাশে জবাই করা ঘোড়ার মাংস ও চারদিকে রক্তের দাগ ছড়িয়ে-ছিটিয়ে ছিল। জবাই করা ঘোড়াগুলোর মধ্যে একটি গর্ভবতী ছিল, পাশেই নাড়িভুঁড়ির সঙ্গে একটি বাচ্চার ভ্রূণ পড়ে থাকতে দেখা যায়। এ ছাড়া ঘরের চারপাশে খোঁড়া বড় বড় গর্তে ঘোড়ার হাড় পুঁতে রাখার আলামতও দেখা যায়।’
নাজমুল হোসেন নামের আরেক ব্যক্তি বলেন, প্রতি রবি ও বুধবার গভীর রাতে পরিত্যক্ত ঘরের সামনে গাড়ি আসত। সকালে সেখানে রক্ত ও হাড় পড়ে থাকতে দেখা যেত। পরে জানা যায়, একটি চক্র ঘোড়া জবাই করে সেই মাংস বস্তায় করে গরুর মাংস হিসেবে বিভিন্ন হোটেলে সরবরাহ করত। প্রমাণ নষ্ট করতে তারা চামড়া, হাড় ও নাড়িভুঁড়ি গর্ত করে পুঁতে ফেলত। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
গজারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান আলী বলেন, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তাঁরা ঘটনাস্থলে যান। ইতিমধ্যে ঘটনায় জড়িত একটি চক্রের নাম তাঁরা পেয়েছেন। চক্রটিতে সোনারগাঁ ও টঙ্গীর লোকজন আছেন। চক্রের সদস্যরা এসব মাংস বিভিন্ন রেস্তোরাঁয় বিক্রি করতেন বলে জানতে পেরেছেন। জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু হয়েছে। গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদে জানা যাবে মাংস কোথাকার রেস্তোরাঁয় বিক্রি হতো।
গজারিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘ওই দিন সকালে জানার সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে যাই। তদন্ত করে ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জবাই করা ঘোড়ার মাংস প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর ও জনপ্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে মাটিতে পুঁতে ফেলা হয়েছে।’তিনি বলেন, হোটেল-রেস্তোরাঁগুলোতে এখন থেকে নিয়মিত অভিযান চালানো হবে। এসব রেস্তোরাঁর মাছ-মাংস কোথা থেকে আসে, সে বিষয়ে তদারকি করা হবে।
এর আগে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের পূর্বাচলে গরুর মাংস বলে ঘোড়ার মাংস বিক্রি করছিল একটি অসাধু চক্র। খবর পেয়ে অভিযান চালিয়ে জবাই করা ৯টি ও জীবিত ১১টি ঘোড়া উদ্ধার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। পূর্বাচলের ১০ নম্বর সেক্টরের হারারবাড়ী এলাকার একটি প্লটে অভিযান চালিয়ে এসব ঘোড়া উদ্ধার করা হয়।
পূর্বাচল পুলিশ ফাঁড়ি ক্যাম্প সূত্রে জানা যায়, একদল অসাধু ব্যবসায়ী জবাইয়ের উদ্দেশ্যে অন্তত ২০টি ঘোড়া সেখানে নিয়ে আসে। এর মধ্যে তারা ৯টি ঘোড়া জবাই করে। ভোরে স্থানীয় লোকজন বিষয়টি টের পেয়ে ৯৯৯-এ ফোন দিলে র্যাব ও পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে যান।
পূর্বাচল পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক হারুন অর রশিদ জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ও র্যাবের সদস্যরা যৌথভাবে অভিযান চালান। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থল থেকে ১১টি জীবিত ও ৯টি জবাই করা ঘোড়া জব্দ করা হয়।
এর আগে গত ৩ এপ্রিল দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে গরুর মাংস বলে বিক্রির উদ্দেশ্যে ৬টি ঘোড়া জবাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় তিনজনকে হাতেনাতে আটক করে এক বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একইসঙ্গে ১২ মণ ঘোড়ার মাংস জব্দ করা হয়েছে। নবাবগঞ্জ উপজেলার গাজীপুর এলাকার একটি সুপারি বাগানে এ ঘটনা ঘটে। দণ্ডপ্রাপ্তদের বাড়ি নেত্রকোনা, নীলফামারী ও রংপুর জেলায়।
নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জিল্লুর রহমান জানান, সকালে তারা সংবাদ পান উপজেলার একটি সুপারি বাগানে কয়েকজন ঘোড়া জবাই করে বিক্রির উদ্দেশ্যে মাংস প্রস্তুত করছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে ঘটনাস্থলে অভিযান চালিয়ে ৬টি ঘোড়ার মাংস জব্দ করা হয়। তিনি আরো জানান, এ ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেফতার করে প্রত্যেককে এক বছর করে কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। এছাড়া জব্দ করা প্রায় ১২ মণ মাংস মাটিতে পুঁতে নষ্ট করার ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
এর আগে ১৮ মার্চ বিকেলে জামালপুর জেলার ইকবালপুর এলাকায় স্থানীয়রা কয়েকজন মিলে একটি ঘোড়া জবাই করেন। পরে ঘোড়ার মাংসগুলো ভাগ করে নেন তারা। ঘোড়া জবাইয়ের খবরটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে ৩০০ টাকা কেজি মাংস বিক্রির খবরও পাওয়া যায়। এমন খবরের প্রেক্ষিতে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘোড়া জবাই ও মাংস বিক্রি বন্ধে সতর্ক করেন স্থানীয়দের।
স্থানীয় বাসিন্দা শান্ত মিয়া জানান, ‘মূলত শখ করে কয়েকজন মিলে একটি ঘোড়া জবাই করে মাংস ভাগাভাগি করে নিয়েছি। কোনো বিক্রির উদ্দেশ্যে ঘোড়া জবাই করা হয়নি। আর দেশের বিভিন্ন জায়গায় ঘোড়া জবাই করার খবর শুনছি, তাই আমরা ঘোড়া জবাই করছি।’
এর আগে গত ২৫ জানুয়ারি গাজীপুরের কাপাসিয়ায় আইন অমান্য করে গোপনে ঘোড়া জবাইয়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরিত্যক্ত একটি গরুর খামার থেকে জবাইকৃত ঘোড়ার গোশত ও পাঁচটি জীবিত ঘোড়া উদ্ধার করেছে পুলিশ। ওইদিন রাত ২টার দিকে উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের মাশক গ্রামে এ অভিযান চালানো হয়। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় জাহাঙ্গীর আলমের পরিত্যক্ত গরুর খামারটি ভাড়া নিয়ে সেখানে গোপনে ঘোড়া জবাই করে অন্য এলাকায় সরবরাহ করা হচ্ছিল।
খামারের মালিক জাহাঙ্গীর আলম জানান, চলতি বছরের জানুয়ারিতে তিনি খুলনার আনিসুর রহমান নামের এক ব্যক্তির কাছে মাসিক ২০ হাজার টাকায় খামারটি ভাড়া দেন। ভাড়াটিয়া কী কাজে খামারটি ব্যবহার করছিলেন, তা তিনি জানতেন না বলে দাবি করেন খামার মালিক।
এছাড়া ২০২৪ সালের ২৯ জুন পাবনা জেলার বেড়া সাহাপাড়ার মহিউদ্দিন চৌধুরী নামের এক ব্যক্তি মানিক হোসেন, আব্দুস সোবহান, হিরো আলমসহ কয়েকজন যুবককে নির্দেশ দেন ঘোড়া কিনতে। তার কথামতো, ৬-৭ জন যুবক মাত্র ১ হাজার টাকা দিয়ে একটি ঘোড়া কিনে আনেন। এরপর সেই ঘোড়া জবাই করা হয়। যুবকরা বেড়া উপজেলার হাটুরিয়া-নাকালিয়া ইউনিয়নের চড় পেঁচাকোলা নদীর পাড়ে নিয়ে আনন্দ-উল্লাস করে ঘোড়াটিকে জবাইয়ের ভিডিও ধারণ করে এবং রান্না করে সবাই মিলে খায়।
এর আগে ২০২৩ সালের ১৭ এপ্রিল কক্সবাজারের উখিয়ায় অসুস্থ ঘোড়া জবাই করে গরুর মাংসের কথা বলে বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় দুজনকে আটক করা হয়েছিল। ওইদিন দিবাগত রাত ২টার দিকে কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার হলদিয়াপালং ইউনিয়নের মরিচ্যাবাজার লাকড়ির দোকান এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, উখিয়ার মরিচ্যা এলাকার মিউজান ফকিরের ছেলে মাহাবুল আলম রাতে অসুস্থ ঘোড়া জবাই করে গরুর মাংস বলে মানুষকে বিক্রি করছেন বলে অভিযোগ পওয়া যায়। খবর পেয়ে উখিয়া উপজেলা সহকারী ভূমি কমিশনার সালেহ আহমেদের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালতের একটি টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই অভিযুক্তরা পালিয়ে যান। তবে ঘোড়ার মাংস জব্দ করা হয়েছে।
সারা দেশে ঘোড়া জবাই করে খাওয়া প্রসঙ্গে প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক শাহজামান খান এদিনকে বলেন, ‘পত্রিকায় আমি খবরটি দেখেছি। যদিও আমি মাত্রই দায়িত্ব নিয়েছি। সবাই এখন কৃষিমেলা নিয়ে ব্যস্ত, তারপরও মাঠপর্যায়ে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। রিপোর্ট পেলেই আমরা পরবর্তী পদক্ষেপ নেব।’
ঘোড়ার মাংস জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কি না জানা নেই, তবে রুগ্ণ ঘোড়ার মাংস তো কোনোভাবেই খাওয়া যাবে না। তাতে শরীরে বড় কোনো রোগ-ব্যাধি ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ ছাড়া আমাদের দেশে তো ঘোড়াই তেমন নেই। তার পরও যা আছে তা যদি খেয়ে ফেলা হয় তাহলে তো দেশ ঘোড়াশূন্য হয়ে যাবে।’
এ বিষয়ে শেরেবাংলা নগর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেইরিসাইন্স বিভাগের শিক্ষক আব্দুর রহমান এদিনকে বলেন, ‘এমনিতেই আমাদের দেশে ঘোড়ার সংকট। তার মধ্যে যেভাবে ঘোড়া জবাই করে খাওয়া চলছে, তাতে সংকট আরো বেড়ে যাবে। এ ব্যাপারে সরকার দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে আমাদের দেশ থেকে ঘোড়া বিলুপ্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।’
ঘোড়ার মাংস খাওয়ায় ধর্মীয় কোনো বিধিনিষেধ আছে কি না জানতে চাইলে এ বিষয়ে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের সিনিয়র পেশ ইমাম মুফতি মাওলানা মিজানুর রহমান এদিনকে বলেন, ‘ঘোড়ার মাংস খাওয়ার ব্যাপারে ইসলামে বিতর্ক আছে। তবে সবচেয়ে বড় কথা হলো, বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ঘোড়ার মাংস খাওয়ার প্রচলন নেই। আর রুচিরও তো ব্যাপার আছে। তা ছাড়া রুগ্ণ কোনো প্রাণীর মাংস খাওয়া তো কোনোভাবেই ঠিক নয়।’


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









