ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লীগের (আইইউএমএল) ফাতিমা থাহিলিয়া এবারের নির্বাচনে অনন্য ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন। তিনি দলটির প্রথম নারী বিধায়ক হয়েছেন এবং আবির্ভূত হয়েছেন ‘জায়ান্ট কিলার’ হিসেবে।
কোঝিকোড় জেলার সিপিআই (এম)-এর শক্ত ঘাঁটি পেরাম্ব্রায় কেরালার শাসক দল বাম গণতান্ত্রিক ফ্রন্টের (এলডিএফ) আহ্বায়ক টি পি রামকৃষ্ণকে পরাজিত করেছেন ফাতিমা।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস জানিয়েছে, পেশায় আইনজীবী এবং কোঝিকোড় পৌর করপোরেশনের কাউন্সিলর থাহিলিয়ার এই বিজয় এমন একটি আসনে এসেছে, যেখানে সিপিআই (এম) ১৯৮০ সাল থেকে ধারাবাহিকভাবে জিতে আসছে।
নির্বাচনের আগে কংগ্রেস, আইইউএমএল এবং অন্যান্য ছোট শরিক দলগুলোকে নিয়ে গঠিত কেরালার বিরোধী জোট ইউনাইটেড ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউডিএফ) নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ করেছিল, এলডিএফ ফাতিমা থাহিলিয়ার বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িক প্রচারণা চালাচ্ছে।
প্রতিবেদন অনুসারে, আইইউএমএলের পক্ষ থেকে দাঁড় করানো ২৭ জন প্রার্থীর মধ্যে ফাতিমা ছিলেন দুই নারী প্রার্থীর একজন। কেরালার নির্বাচনি ইতিহাসে এর আগে আইইউএমএল মাত্র আরো দু’জন নারী প্রার্থী দিয়েছিল এবং তাদের কেউই জয়ী হননি। ২০২২ সালে দলের মধ্যে লিঙ্গ-ভিত্তিক ন্যায়বিচার চেয়ে আইইউএমএল-এ খ্যাতি লাভ করেন ফাতিমা।
আইইউএমএল-এ একজন সংস্কারপন্থি কণ্ঠস্বর হিসেবে পরিচিত ফাতিমা মুসলিম স্টুডেন্টস ফেডারেশনের নারী শাখা ‘হরিথা’-র প্রতিষ্ঠাতা রাজ্য সভাপতি ছিলেন। ২০১২ সালে প্রতিষ্ঠিত হরিথা কলেজ ক্যাম্পাসগুলোতে আইইউএমএলের নারী সমর্থকদের জন্য একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছিল।
ফাতিমার নেতৃত্বে হরিথা বিভিন্ন ক্যাম্পাসে এমএসএফের প্রভাব বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









