আগামীকাল শনিবার (১৫ আগস্ট) ঘিরে রাজধানীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং নাশকতা ও সহিংসতা ঠেকাতে ৯ ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) ডিএমপির অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স) নিয়াজ মেহেদীর পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ১৫ আগস্টকে কেন্দ্র করে পুরো রাজধানীকে কঠোর নিরাপত্তাবলয়ের আওতায় আনা হয়েছে। সম্ভাব্য অপ্রীতিকর ঘটনা মোকাবিলা এবং নগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নেওয়া হয়েছে বহুমাত্রিক এই নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
ডিএমপির নেওয়া নিরাপত্তা ব্যবস্থাগুলো হলো—
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় পিকেট ও চেকপোস্ট ডিউটি পরিচালনা করা হচ্ছে।
মহানগরের সব প্রবেশপথে চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।
ডিবি ও সিটিটিসির সদস্যদের অপারেশনাল কার্যক্রমে মোতায়েন রাখা হবে।
গুরুত্বপূর্ণ স্থান ও জনসমাগমস্থলে সোয়াট, বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট এবং কে-নাইন ইউনিট দিয়ে সুইপিং কার্যক্রম চালানো হবে।
গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোকে বিশেষ নিরাপত্তা পরিকল্পনার আওতায় আনা হয়েছে। এসব এলাকায় সিসিটিভি ক্যামেরা ও ড্রোনের মাধ্যমে নজরদারি করা হবে।
সিটিএসবি ও আইএডির সদস্যরা সাদা পোশাকে গোয়েন্দা কার্যক্রম ও তথ্য সংগ্রহ চালিয়ে যাবেন। পাশাপাশি নিরাপত্তা জোরদারে অতিরিক্ত র্যাব ও সিআইডি টিম মোতায়েন থাকবে।
জরুরি পরিস্থিতি দ্রুত মোকাবিলায় পর্যাপ্ত কুইক রেসপন্স টিম (কিউআরটি) প্রস্তুত ও মোতায়েন রাখা হবে।
নিয়মিত মোতায়েনের বাইরে অতিরিক্ত কর্মকর্তা ও পুলিশ সদস্যদের রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট, অনুষ্ঠানস্থল, মেট্রোরেল স্টেশন, বাস টার্মিনাল, লঞ্চঘাট, ট্রেন স্টেশন, শপিংমলসহ বিভিন্ন সংবেদনশীল এলাকায় দায়িত্ব দেওয়া হবে।
ডিএমপির সব ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা মাঠপর্যায়ে অবস্থান করে নিজ নিজ এলাকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা সরেজমিনে তদারকি করবেন।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









