মৌলভীবাজারের বড়লেখা পৌরসভার সাবেক সভাপতি ও দুইবারের মেয়র প্রার্থী জামায়াতে ইসলামীর নেতা খিজির আহমদ ২০১৩ সালের একটি রাজনৈতিক মামলায় গ্রেপ্তারের পর জামিনে মুক্তি পেয়েছেন।
বুধবার (২৪ জুন) দুপুরে মৌলভীবাজার অতিরিক্ত দায়রা জজ (তৃতীয়) আদালত তাঁর জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে বিকেলে তিনি মৌলভীবাজার জেলা কারাগার থেকে মুক্তি পান।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, খিজির আহমদের পক্ষে জামিন আবেদন করা হলে শুনানি শেষে আদালত তা মঞ্জুর করেন। এরপর প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে তাঁকে কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়।
মামলার নথি অনুযায়ী, ২০১৩ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি বড়লেখায় জামায়াতে ইসলামী ও কথিত তৌহিদী জনতার একটি মিছিলকে কেন্দ্র করে পুলিশ একটি মামলা দায়ের করে। ওই মামলায় খিজির আহমদসহ অজ্ঞাতনামা ৬৫ জনকে আসামি করা হয়। ২০১৮ সালে তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হলেও তিনি প্রবাসে থাকায় গ্রেপ্তার হননি। পরে গত ১৯ জুন রাতে বড়লেখার হাজিগঞ্জ বাজার এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
জামিনে মুক্তির পর মৌলভীবাজার জেলা কারাগারের প্রধান ফটকে তাঁকে স্বাগত জানান জেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মো. ইয়ামীর আলী, সহকারী সেক্রেটারি আলাউদ্দিনসহ জেলা, উপজেলা ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা।
পরে বড়লেখায় আয়োজিত এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে জামায়াত নেতারা বলেন, খিজির আহমদ দীর্ঘদিন ধরে বড়লেখার মানুষের অধিকার আদায়ের আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত। তাঁরা দাবি করেন, অতীতে মেয়র নির্বাচনে জনগণের ব্যাপক সমর্থন পাওয়ার পরও তিনি ন্যায্য ফলাফল থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।
এ সময় নেতারা পূর্ববর্তী সরকারের আমলে দায়ের করা রাজনৈতিক মামলাগুলো প্রত্যাহার এবং নেতা-কর্মীদের হয়রানি বন্ধের দাবি জানান।
সমাবেশে উপজেলা জামায়াতের সাবেক আমির ও জেলা কর্মপরিষদের সদস্য এমাদুল ইসলাম বলেন, “এক যুগ আগের রাজনৈতিক মামলায় জামায়াত নেতাদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে, অথচ বিভিন্ন মামলার আসামি অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তি প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। বিষয়টি দুঃখজনক।”


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









