টাঙ্গাইলের সখীপুরে অপহরণ অভিযোগের একদিন পর বাড়ির পাশে একটি ডোবা থেকে পারভীন (৪৬) নামে এক বিধবা নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে সখীপুর থানা পুলিশ।
বুধবার (১ জুলাই) সকালে সখীপুর পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের হাসপাতাল গেইটের দক্ষিণে বাসার কাছ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
পারভীন সখীপুর পৌরসভার একই ওয়ার্ডের মৃত হুমায়ূন খানের স্ত্রী।
পারিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এক ছেলে ও এক মেয়ের জননী তিনি। ছেলে ঢাকার সাভারে চাকরি করার সুবাদে সেখানে থাকেন। মেয়েকেও বিয়ে দিয়েছেন গত দু মাস হলো। এরপর থেকেই পারভীন বাসায় একাই থাকতেন।
সোমবার (২৯ জুন) রাতে ঢাকার সাভারে চাকুরিরত ছেলে সোাহেল রানা ফাহাদের সঙ্গে মোবাইলে তার সর্বশেষ কথা হয়। মঙ্গলবার (৩০ জুন) সকাল থেকে ফাহাদসহ পরিবারের সদস্য ও স্বজনরা একাধিকবার ফোন করলেও তিনি আর মোবাইল কল রিসিভ করেননি। একই দিন সন্ধায় ফাহাদ ঢাকা থেকে ফিরে সখীপুর থানায় একটি অপহরণ মামলা করেন। পরে রাত থেকেই পুলিশ ও পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোজাখুজি শুরু করেন। খোজাখুজির একপর্যায়ে বুধবার (১ জুলাই) সকালে বাড়ির পাশের একটি ডোবা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
পারভীনের ছেলে সোহেল ফাহাদ রানা ফাহাদ বলেন, পরিকল্পিতভাবে তার মা পারভীনকে অপহরণ করে কেউ হত্যা করেছে। ঘটনার সঙ্গে যারাই জড়িত থাকুক না কেন তাদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন তিনি।
এ ঘটনায় টাঙ্গাইলের সহকারী পুলিশ সুপার (সখীপুর সার্কেল) এ.কে এম মামুনুর রশীদ বলেন, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসলে প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে। এ ব্যাপারে আইনি বিষয় প্রক্রিয়াধীন।
উল্লেখ্য, গত ২২ জুন সখীপুর উপজেলা পরিষদ পুকুর থেকে সেঁজুতি (৮) নামে এক কন্যা শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সখীপুর পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের মন্দিরপাড়া এলাকার ফালু চন্দ্র মালুর মেয়ে। সে সখীপুর আদর্শ শিশু কানন প্রি-ক্যাডেট স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









