টানা কয়েকদিনের ভারী বর্ষণ এবং পাহাড়ি ঢলে বান্দরবানের প্রধান দুই নদী সাঙ্গু ও মাতামুহুরীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। এতে জেলার বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এতে পানি বন্দী হয়ে পড়েছে হাজারো মানুষ।
এদিকে, দুর্যোগ মোকাবিলায় জেলার সাত উপজেলায় খোলা হয়েছে ২২০টি জরুরি আশ্রয়কেন্দ্র। এরমধ্যে বান্দরবান সদরে ৪৬টি, রুমায় ২৮টি, রোয়াংছড়িতে ১৯টি, থানচিতে ১৫টি, আলীকদমে ১৫টি, লামায় ৫৫টি এবং নাইক্ষ্যংছড়িতে ৪২টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে।
শহরের আর্মি পাড়া ওয়াপদা ব্রিজ শেরে বাংলা নগর ইসলামপুরসহ লামা আলিকদম ও নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় তলিয়ে গেছে বিভিন্ন এলাকা। ইতোমধ্যে জিনিসপত্র ও পরিবার নিয়ে আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছে কয়েক শতাধিক পরিবার। এছাড়াও প্রবল বর্ষণে পাহাড় ধসের আশঙ্কায় আতঙ্কে রয়েছে জেলার লক্ষাধিক মানুষ। এদের কেউ কেউ আশ্রয় কেন্দ্রে উঠলেও নিজের ঘরবাড়ী ছেড়ে যেতে নারাজ অনেকেই।
এদিকে পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে বন্যা কবলিত ও ঝুঁকিপূর্ণ বসবাসকারীদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যেতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাইকিং করা হচ্ছে। তবে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে পরিস্থিতি আরও অবনতি হওয়ার আশঙ্কা সংশ্লিষ্টদের।
বান্দরবান পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, মাতামুহুরী নদীর বিপৎসীমা ১১ দশমিক ৮০ মিটার হলেও বুধবার (৮ জুলাই) সকাল ৯টা পর্যন্ত পানি ১১ দশমিক ৯৪ মিটারে প্রবাহিত হচ্ছিল। একই সময়ে সাঙ্গু নদীর বিপৎসীমা ১৪ দশমিক ৮০ মিটার অতিক্রম করে পানির উচ্চতা দাঁড়িয়েছে ১৫ দশমিক ৯০ মিটার।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









