পিরোজপুরের নেছারাবাদে চিংড়ি মাছের ওজন কৃত্রিমভাবে বাড়াতে জেলি পুশ করে বিক্রির অভিযোগে এক আড়তদারকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে জব্দ করা প্রায় ৩২ কেজি জেলি মিশ্রিত চিংড়ি মাছ ধ্বংস করা হয়েছে।
বুধবার (৮ জুলাই) বিকেলে উপজেলার জগন্নাথকাঠি বন্দরে এ অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অমিত দত্ত।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, সকালে উপজেলার মৈশানী এলাকার মাসুদ গাজী জগন্নাথকাঠি বন্দরের রনজিতের মাছের দোকান থেকে এক কেজি চিংড়ি মাছ ৭৫০ টাকায় কিনে বাড়িতে নিয়ে যান। মাছ কাটার সময় তিনি মাছের শরীরের ভেতরে জেলি জাতীয় পদার্থ দেখতে পান। পরে বিষয়টি প্রশাসনকে জানানো হলে উপজেলা প্রশাসন থানা পুলিশের সহযোগিতায় বাজারে অভিযান চালায়। অভিযানে জগন্নাথকাঠি বন্দরের মনীষা ফিশিং হাউজে জেলি পুশ করে চিংড়ি মাছের ওজন বাড়ানোর সত্যতা পাওয়া যায়।
এ ঘটনায় মৎস্য ও মৎস্য পণ্য (পরিদর্শন ও মান নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০২০ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটির আড়তদার উত্তম কুমার মন্ডলকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। পাশাপাশি সেখান থেকে উদ্ধার হওয়া প্রায় ৩২ কেজি জেলি মিশ্রিত চিংড়ি মাছ ধ্বংস করা হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অমিত দত্ত বলেন, “ভোক্তাদের নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান নিয়মিত পরিচালনা করা হবে। জনস্বার্থে এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।”


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









