হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ উপজেলার বছীরা নদীতে নিষিদ্ধ ভীম জাল পেতে মাছ ধরার কারণে নৌচলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে। প্রতিবছর বর্ষাকালে এ সময়ে নদীটিতে ভীম জাল পেতে রাখার কারণে নৌচলাচল সমস্যা হয়।
এলাকার একটি প্রভাবশালী মহলের লোকজন বছীরা নদীতে প্রতিবছর বর্ষা আসলে যখন নদীতে মাছ বেশি ধরা পড়ে তখন ভীম জাল পেতে মাছ শিকার করে বলে অভিযোগ থাকলে ও এলাকাবাসী সাধারণ মানুষকে বছীরা নদীতে মাছ মারতে দেখা যায় না।কোন কোন সময় ভীমজালের লোকজন মাছ আহড়ন করে বিদায় নিলে পরে কিছু মাছ ধরতে দেখা যায়।
সরেজমিনে দেখা গেছে,শুক্রবার (১০ জুলাই) বছীরা নদীর রাহেলা ও আনন্দ পুর গ্রামের মাঝামাঝিতে হালঘাটা নামক স্থানে বছীরা নদীর হাওর রক্ষা বাধ কাটা হলে হাওরে প্রচুর পানি ও প্রচুর মাছ ঢুকে। তখন থেকেই সেখানে ভীম জাল পেতে রাখা হয়েছে।
শনিবার( ১১ জুলাই) সরেজমিনে সকালে হালঘাটা নামক স্থানে গিয়ে নদীতে জাল পাতা দেখা যায়। উল্লেখিত স্থানে একটি নৌকা ও তিন চার জন জাল পেতে মাছ আহড়ন করছেন।
ভীম জালের মালিক আবু মিয়া (৫৫) মাছ ধরার কথা স্বীকার করে বলেন, শুধু তিনি নন আরো কয়েকজন মাছ ধরছেন।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এসএম রেজাউল করিম জানান,কেউ ভীম জাল পেতে নৌচলাচলে বিঘ্ন করলে আইনি মোতাবেক ব্যবস্থা নেব।
উল্লেখ্য, হেমন্তকালে ও বছীরা নদীর বিভিন্ন জায়গা শুকিয়ে ও বাধ দিয়ে মাছ আহড়ন করতে দেখা যায়। বিশেষ করে আনন্দ পুরের ব্রিজের, কবর স্থানের, মাকরদি চরের কাছে পানি শুকিয়ে ও নদীতে বাধ দিয়ে মাছ আহড়ণ করা হয়। এর ফলে সাধারণ মানুষ এনদীতে মাছ ধরার সুযোগ পায় না।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









