চট্টগ্রামের নবগঠিত ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলার সদর দপ্তর যৌক্তিক স্থানে স্থাপনের দাবিতে বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকাল-সন্ধ্যা শান্তিপূর্ণভাবে হরতাল পালন করেছে আন্দোলনকারীরা।
ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা বাস্তবায়ন সমন্বয় পরিষদের পূর্বঘোষিত হরতাল কর্মসূচি দাঁতমারা, বাগানবাজার ও নারায়ণহাট ইউনিয়নে পালন করেছেন স্থানীয়রা।
সরেজমিনে দেখা যায়, কিছু জায়গায় সড়কের উপর অগ্নিসংযোগ ও বরযাত্রীসহ গাড়ি আটকে দেওয়া হয়েছে। ফেনী-চট্টগ্রাম-রামগড়-খাগড়াছড়ি আঞ্চলিক মহাসড়ক এবং হেয়াকো-গহিরা সড়কে যান চলাচল বন্ধ ছিল। হরতালটি পালন করছে তিনটি ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষ। এ সময় দাবি নিয়ে শ্লোগান দিতে দেখা যায় আন্দোলনকারীদের।
ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা বাস্তবায়ন সমন্বয় পরিষদের সমন্বয়ক নুরুল আমিন আজাদ বলেন, ‘‘আমরা ন্যায্য দাবি নিয়ে মাঠে আছি। যৌক্তিক স্থানে উপজেলা সদর দপ্তর করতে মানববন্ধন, সড়ক অবরোধ, সংবাদ সম্মেলন, স্মারকলিপি প্রদানসহ একাধিক কর্মসূচি পালন করে সরকারকে জানান দেওয়া হয়েছে। কিন্তু সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আমাদের দাবি মেনে না নেওয়ায় হরতালের মতো কর্মসূচি দিতে হলো।’’
দাঁতমারা ইউপি সদস্য মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন বলেন, ‘‘উত্তরের মানুষ মাঠে নেমেছেন যৌক্তিক দাবিতে। বাগান বাজার, দাঁতমারা ও নারায়ণহাট ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষ হরতালে সাড়া দিয়েছেন।’’
ভূজপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপুল চন্দ্র দে বলেন, ‘‘শান্তিপূর্ণভাবে হরতাল পালিত হয়েছে, এখন পর্যন্ত কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। চারটি পয়েন্টে আমাদের টিম সতর্ক অবস্থান ছিল।’’
উল্লেখ্য, হরতাল চলাকালে তিন ইউনিয়নের সরকারি-বেসরকারি অফিস, যানবাহন ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার আহ্বান করেছিল আন্দোলনকারীরা। তবে হাসপাতাল, অ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিস, ওষুধের দোকানসহ জরুরি সেবাসমূহ হরতালের আওতার বাইরে ছিল। এছাড়াও শিক্ষার্থীদের চলমান পরীক্ষা বিবেচনায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও হরতালের আওতামুক্ত ছিল।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









