ঝিনাইদহে ভেঙে ফেলা বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাস্কর্য অন্যত্র স্থানান্তরের প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (২২ জুলাই) দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় শহীদ পরিবার, সিপিবি, বাসদ, ক্ষেতমজুর সমিতি, উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী, যুব ইউনিয়নসহ বিভিন্ন বাম গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের আপত্তি সত্ত্বেও জেলা প্রশাসন বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান চত্ত্বর এবং অন্যত্র ভাস্কর্য স্থাপনের জায়গা নির্ধারণের জন্য স্থানীয়ভাবে একটা কমিটি করেছে।
আয়োজিত সভায় জেলা প্রশাসক নোমান হোসেন এর সভাপতিত্বের সভায় উপস্থিত ছিলেন, ঝিনাইদহ জেলা পরিষদ প্রশাসক ও বিএনপির জেলা সভাপতি জননেতা আলহাজ্ব এ্যাডঃ মোঃ আব্দুল মজিদ, সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা, সিপিবি জেলা সাধারণ সম্পাদক আবু তোয়াব অপু, বাসদ আহ্বায়ক অ্যাড. আসাদুল ইসলাম আসাদ, বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ হামিদুর রহমানের ভাতিজা হাফিজুর রহমান, পুলিশ সুপার মিয়া মোহাম্মদ আশীষ বিন হাছান, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক রবীন্দ্রনাথ রায় প্রমুখ।
সিপিবি ঝিনাইদহ জেলা সম্পাদক আবু তোয়াব অপু বলেন, “মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মারক স্থাপনা ভেঙে ফেলা ও প্রশাসন কর্তৃক সরিয়ে ফেলার কাজ বাস্তবায়নে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান চত্ত্বর এবং ভাস্কর্য স্থাপনের জায়গা নির্ধারণের জন্য সিদ্ধান্ত অত্যন্ত অগ্রহণযোগ্য। যখন সারাদেশে মুক্তিযুদ্ধের ভাস্কর্য ভাঙছে মুক্তিযুদ্ধবিরোধী অপশক্তি, তখন দিনের বেলায় এ ধরনের ঘটনা হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে মুছে ফেলার ধারাবাহিকতা। এটা অগ্রহণযোগ্য।”
বাসদ জেলা আহ্বায়ক অ্যাড. আসাদুল ইসলাম বলেন, “একইস্থান ভাস্কর্য ও চত্ত্বর ত্রুটিমুক্ত ও ঝুঁকিমুক্ত করে প্রতিস্থাপন করতে হবে। মুক্তিযুদ্ধের স্মারক স্থাপনা ভেঙে ফেলার ঘটনায় দায়ীদের বিচারের আওতায় আনতে প্রশাসনকে সজাগ হতে হবে।”
বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাতিজা হাফিজুর রহমান বলেন, “এটা আমার চাচা বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাস্কর্য। এটি ভেঙে ফেলে ধ্বংসাত্মক কাজ করা হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে আমরা চাই, যথাযথভাবে ও মর্যাদায় ভাস্কর্যটি সংস্কার করে একই স্থানে পুনঃস্থাপন করা হোক।”


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









