পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় পায়রা বন্দরের আবাসিক ভবন এলাকার ১০০ ফুট দৈর্ঘ্যের দুটি সীমানা দেয়াল ফের ধসে পড়েছে।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সন্ধ্যায় ওই এলাকার উত্তর পাশের ছয়আনি খালের মধ্যে ওই সীমানা দেয়াল দুটি ধসে পড়ে।
দেয়াল নির্মানে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করায় এমন দুরাবস্থা হয়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের। এর আগে ২০২৩ সালের জানুয়ারীতে নির্মান কাজ শেষ হওয়ার আগে ওই একই এলাকার ১০০ ফুট দৈর্ঘ্যের একটি সীমানা দেয়াল খালের দিকে হেলে পড়ে।
এছাড়া একই বছরের ৩০ জুন আরও একটি সীমানা দেয়াল ধ্বস এবং ৩ টি দেয়াল হেলে পড়ে। ৩ বছরের ব্যবধানে ফের দেয়াল ধসে পড়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে স্থানীয়রা। ২০২৩ সালে এবিএম ওয়াটার কোম্পানি নামের একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ১১ কোটি টাকা ব্যয়ে ৩ হাজার ফুট দৈর্ঘ্যের এ সীমানা প্রাচীরটি নির্মান করেছিলো।
টিয়াখালী ইউনিয়নের পশ্চিম লোন্দা গ্রামের ইউসুফ মিয়া বলেন, “পরিকল্পনা না করেই এ সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করা হয়েছিলো। যার কারণে নির্মাণ করা শুরুর পরই দুই দফা এই সীমানা প্রাচীরের বিভিন্ন দেয়াল ধসে পড়েছিলো। ফের আবারো খালের মধ্যে দুটি সীমানা দেয়াল ভেঙে পড়েছে। নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে এ সীমানা নির্মাণ করা হয়েছিল।”
পায়রা বন্দর সংলগ্ন টিয়াখালী গ্রামের বক্কর মিয়া বলেন, “ইট বালু সবকিছুই নিম্নমানের ব্যবহার করা হয়েছে। বন্দর কর্তৃপক্ষের উদাসীনতায় এ কাজে ব্যাপক অনিয়ম দুর্নীতি হয়েছে। যার কারণে বারবার এ দেয়ালগুলো ধসে পড়েছে।”
পায়রা বন্দরের ট্রাফিক বিভাগের উপ-পরিচালক ও মিডিয়া উইংস কর্মকর্তা আজিজুর রহমান বলেন, “ভারীবৃষ্টিতে মাটি সরে গিয়ে সীমানা দেয়ালে ধ্বসের ঘটনা ঘটেছে। পূরকৌশল বিভাগকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। তারা এটি পর্যবেক্ষন করছে।”


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









