টাঙ্গাইল শহরের অন্যতম বিনোদনকেন্দ্র ও সৌন্দর্যের প্রতীক ডিসি লেকের পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে কচুরিপানা ও ময়লা-আবর্জনা অপসারণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
এ সময় প্রতিমন্ত্রী বলেন, “পর্যায়ক্রমে পুরো লেক পরিষ্কার করা হবে। ডিসি লেককে ঘিরে আমাদের সুস্পষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে। এটিকে কীভাবে একটি উন্নতমানের পর্যটনকেন্দ্রে রূপ দেওয়া যায়, সে লক্ষ্যেই আমরা কাজ করছি। সম্প্রতি বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যানকে নিয়ে আমি এখানে এসেছিলাম। তিনি চর এলাকার পাশাপাশি ডিসি লেক এলাকাও পরিদর্শন করেছেন। আমাদের পরিকল্পনা হলো ডিসি লেককে একটি মিনি পর্যটনকেন্দ্র এবং চর এলাকাকে একটি বৃহৎ পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা।”
শুক্রবার (৩১ জুলাই) সকালে প্রতিমন্ত্রী টাঙ্গাইল ডিসি লেক পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি লেকের সার্বিক পরিবেশ, পানির অবস্থা ও পরিচ্ছন্নতা ঘুরে দেখেন। দীর্ঘদিন ধরে লেকে জমে থাকা কচুরিপানা ও বিভিন্ন ধরণের ময়লা-আবর্জনা অপসারণে তিনি নিজ হাতে কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন এবং সংশ্লিষ্টদের নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা দেন।
উদ্বোধনের পর লেকের কচুরিপানা অপসারণে অংশ নেন তিনি। এ সময় উপস্থিত নেতাকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবকদের সঙ্গে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে যুক্ত হন।
এ সময় প্রতিমন্ত্রী টুকু বলেন, “একটি পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব শহর গড়ে তুলতে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণও অত্যন্ত জরুরি। ডিসি লেক শুধু একটি বিনোদনকেন্দ্র নয়, এটি টাঙ্গাইল শহরের সৌন্দর্য ও পরিবেশের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাই এর পরিচ্ছন্নতা ও সৌন্দর্য রক্ষায় সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।”
প্রতিমন্ত্রী বলেন, “নির্বাচনের আগেই আমি টাঙ্গাইলে একটি আধুনিক পর্যটনকেন্দ্র গড়ে তোলার অঙ্গীকার করেছিলাম। সেই লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের এই প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। লেকটিকে যদি সুন্দর ও ব্যবহার উপযোগী করে তুলতে পারি, তাহলে টাঙ্গাইলবাসী একটি আধুনিক বিনোদনকেন্দ্র পাবে। পাশাপাশি এখানে মাছ চাষ করা হবে এবং সেই মাছও এই শহরের মানুষই খাবে।”
টাঙ্গাইল শহরকে পরিচ্ছন্ন রাখার আহ্বান জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু আরও বলেন, “আমরা একটি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন টাঙ্গাইল গড়ে তুলতে চাই। এ জন্য যার যার অবস্থান থেকে সবাইকে সচেতন হতে হবে। এ কাজে আপনাদের সার্বিক সহযোগিতা প্রয়োজন।”
এ সময় জেলা প্রশাসক শরিফা হক, জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, জেলা যুবদলের আহ্বায়ক খন্দকার রাশেদুল আলম, জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুর রহমান খান শফিক, কেন্দ্রীয় যুবদলের সদস্য আব্দুল্লাহিল কাফিসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









