গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে একটি ক্যালকুলেটর চুরির অভিযোগকে কেন্দ্র করে সাত বছর বয়সী এক মাদ্রাসাছাত্রকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষক এনামুল মোল্লাকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নিয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) রাতে কদমপুর হাফেজিয়া মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে।
আহত শিক্ষার্থী আহম্মদ মোল্লা (৭) বর্তমানে মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন। সে উপজেলার ঢালিকান্দী গ্রামের শাওন মোল্লার ছেলে এবং কদমপুর হাফেজিয়া মাদ্রাসার কায়দা বিভাগের ছাত্র।
অভিযুক্ত শিক্ষক এনামুল মোল্লা একই উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের কদমপুর গ্রামের মোক্তার মোল্লার ছেলে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, মাদ্রাসার একটি ক্যালকুলেটর হারিয়ে গেলে শিক্ষার্থী আহম্মদ মোল্লার বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ আনা হয়। এরপর শিক্ষক এনামুল মোল্লা তাকে বেধড়ক মারধর করেন। এতে শিশুটি আহত হলে পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
আহতের বাবা শাওন মোল্লা বলেন, একটি ক্যালকুলেটর চুরির মিথ্যা অভিযোগ তুলে আমার সাত বছরের ছেলেকে নির্মমভাবে পেটানো হয়েছে। প্রায় এক বছর ধরে সে এই মাদ্রাসায় পড়াশোনা করছে। এর আগে কখনও তার বিরুদ্ধে এমন কোনো অভিযোগ ওঠেনি। আমি এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার ও অভিযুক্ত শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত শিক্ষকের ভাই আমিনুল হক। তিনি বলেন,আহম্মদকে মারধর করা হয়নি। সে পড়ে গিয়ে আঘাত পেয়েছে।
মুকসুদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, অভিযুক্ত শিক্ষককে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে। শিক্ষার্থীর পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









