সিলেটের ওসমানীনগরে দুটি যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে এক শিশুসহ নয়জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ২০ জন। নিহতদের মধ্যে ছয়জনের পরিচয় শনাক্ত করা গেছে।
শুক্রবার (৭ আগস্ট) সকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের কাশিকাপন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন কিশোরগঞ্জের সাইফুল ইসলাম (৫০), ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আবুল হোসেন (৪৬), কিশোরগঞ্জের সঙ্গীত শিল্পী পেহেলি ভৈরবী (১৯), কুমিল্লার আরমান হোসেন রাহিম (১৯), ঢাকা বিক্রমপুরের শিশু জাইফা ইসলাম (৪) এবং সিলেট নগরীর সোবহানিঘাটের সপ্তম রায় প্রীতম (২৫)। তারা সাবাই ইউনিক পরিবহনের যাত্রী। এ ছাড়া বাকি তিন জনের আঙুলের ছাপ নিয়ে পরিচয় শনাক্তকরণের কাজ করছে পিবিআই।
ওসমানীনগর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিহতদের পরিবারকে ২০ হাজার টাকা করে অর্থ সহায়তা করা হয়।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শুক্রবার সকাল ৭টা ১০ মিনিটের দিকে কাশিকাপন এলাকায় সিলেটমুখী বেঙ্গল পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে ঢাকামুখী ইউনিক পরিবহনের বাসের সংঘর্ষ হয়। এতে ইউনিক পরিবহনের বাসটি সড়কের পাশের খাদে পড়ে যায়। দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলে সাতজন নিহত হন। পরে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও দুজনের মৃত্যু হয়।
সিলেটের ওসমানীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গাজী মোস্তফা জানান, দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলে সাতজন নিহত হন। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও দুজনের মৃত্যু হয়। নিহতদের মধ্যে ছয়জনের পরিচয় শনাক্ত হয়েছে। তাদের লাশ মর্গে পাঠানো হয়েছে। বাকি তিন জনের আঙুলের ছাপ নিয়ে পরিচয় শনাক্তকরণের কাজ করছে পিবিআই।
সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল উমর রাশেদ মুনির জানান, দুর্ঘটনায় হতাহত ১৬ জনকে হাসপাতালে আনা হয়। আহতদের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাদের একজনকে হাসপাতালের আইসিইউতে রাখা হয়েছে এবং অপরজনের অস্ত্রোপচার চলছে।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









