কৃষকদের হয়রানি, বস্তাপ্রতি ঘুষ গ্রহণ এবং ধান-চাল ক্রয়ে নানা অনিয়মের অভিযোগে ঝালকাঠি এলএসডির সংরক্ষণ ও চলাচল কর্মকর্তা মো. আব্দুল্লাহ আল মামুনকে তাৎক্ষণিক বদলি (স্ট্যান্ড রিলিজ) করা হয়েছে। অনিয়ম প্রমাণিত হওয়ার মুখে তাকে মেহেরপুরের মুজিবনগর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক পদে বদলি করা হয়।
রবিবার (৯ আগস্ট) খাদ্য অধিদপ্তরের প্রশাসন বিভাগ থেকে জারি করা এক আদেশে জানা যায়, উক্ত কর্মকর্তাকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বর্তমান কর্মস্থল ত্যাগ করে নতুন দায়িত্বে যোগ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অন্যথায় তিনি স্বয়ংক্রিয়ভাবে কর্মবিমুক্ত বলে গণ্য হবেন।
এর আগে প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার ঝালকাঠি গ্রেড-১ এলএসডি খাদ্য গুদাম আকস্মিক পরিদর্শনে যান। তখন স্থানীয় ভুক্তভোগী কৃষকরা উপস্থিত হয়ে ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নানা স্বেচ্ছাচারিতার কথা জানান। কৃষকদের অভিযোগ, সরকারি গুদামে ধান দিতে গেলে বস্তাপ্রতি অতিরিক্ত টাকা দাবি করা হতো। এমনকি কার্ডপ্রতি হাজার হাজার টাকা ঘুষ না দিলে ধান নেওয়া হতো না। পাশাপাশি ৪০ কেজির নির্ধারিত ওজনের জায়গায় ৪২ কেজি করে ধান আদায় এবং নিম্নমানের চাল গুদামজাত করারও তথ্য ওঠে আসে।
পরিদর্শনকালে জিয়াউদ্দিন হায়দার স্পষ্ট জানান, কৃষক ও সাধারণ মেহনতি মানুষের হক মেরে কোনো ধরনের দুর্নীতি বরদাশত করা হবে না। এই ঘটনার পর প্রশাসনিক পদক্ষেপ হিসেবে ওই কর্মকর্তাকে ঝালকাঠি থেকে সরিয়ে দেওয়া হলো।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









