ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং সব ধর্মের মানুষের সমান মর্যাদায় বিশ্বাস করে যুক্তরাষ্ট্র। বাংলাদেশেও বিভিন্ন ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহনশীলতা ও সম্প্রীতির চর্চা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন।
বরিশালে দুই দিনের সফরের অংশ হিসেবে গৌরনদীর একটি ক্যাথলিক চার্চের হলরুমে আয়োজিত আন্তঃধর্মীয় সংলাপে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
সংলাপে মুসলিম, হিন্দু ও খ্রিস্টান ধর্মীয় নেতারা অংশ নেন। তারা বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, ধর্মীয় সহনশীলতা এবং বিভিন্ন ধর্মের মানুষের পারস্পরিক সহাবস্থানের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। একই সঙ্গে ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সম্প্রীতির পরিবেশ আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন বক্তারা।
মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র ধর্মীয় স্বাধীনতার প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং সব ধর্মের মানুষের সমান মর্যাদায় বিশ্বাস করে। বাংলাদেশেও বিভিন্ন ধর্মের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সম্মান ও সহনশীলতার পরিবেশ আরও শক্তিশালী হওয়া প্রয়োজন।”
তিনি বলেন, “ধর্মীয় বৈচিত্র্যকে সম্মান করে পারস্পরিক সম্প্রীতি বজায় রাখা একটি স্থিতিশীল ও শান্তিপূর্ণ সমাজের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।”
অনুষ্ঠানে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, “দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে সামাজিক, ধর্মীয় এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা অত্যন্ত জরুরি। বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় যুক্তরাষ্ট্রকে গুরুত্বপূর্ণ ও ঘনিষ্ঠ বন্ধু হিসেবেও উল্লেখ করেন তিনি।”
বরিশাল সফরে মার্কিন রাষ্ট্রদূত বিভিন্ন ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থান পরিদর্শন করেন। দুই দিনের সফরে তিনি ঐতিহাসিক মসজিদ, মন্দির ও গির্জা ঘুরে দেখেন। স্থানীয় ধর্মীয় ও সামাজিক নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময়ের পাশাপাশি বাংলাদেশের ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সহাবস্থানের বাস্তব চিত্র জানার সুযোগ পান তিনি।
গৌরনদীর আন্তঃধর্মীয় সংলাপে অংশ নেওয়ার মধ্য দিয়ে তার সফরে ধর্মীয় স্বাধীনতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সম্প্রীতির বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পায়।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









