পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার সুটিয়াকাঠী ইউনিয়নে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ইট, টয়লেটের স্লাব ও রিং ভাঙচুর করে পাশের পুকুরে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় প্রতিকার ও আইনগত সহায়তা চেয়ে নেছারাবাদ থানায় লিখিত আবেদন করেছেন সামসুল হক (৬২) নামে এক ব্যক্তি।
রবিবার (১৬ আগস্ট) বিকেলে নেছারাবাদ থানায় এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ করা হয়।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার সুটিয়াকাঠী ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো. মিরাজ (৩৬), মোসা. পুতুল ও মোসা. নুরুন্নাহারের সঙ্গে তার জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। তিনি দাবি করেন, বিরোধীয় সম্পত্তি তিনি ক্রয়সূত্রে মালিক হয়ে ভোগদখলে রয়েছেন। অভিযোগে সামসুল হক আরও উল্লেখ করেন, গত ১৫ আগস্ট বিকেল আনুমানিক ৬টার দিকে অভিযুক্তরা আরও কয়েকজন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে সঙ্গে নিয়ে তার জায়গায় রাখা ইট, টয়লেটের স্লাব ও রিং ভাঙচুর করে পাশের পুকুরে ফেলে দেন। এতে তার আনুমানিক ৫০ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
অভিযোগকারী বলেন, ঘটনার পর বিষয়টি জানতে চাইলে অভিযুক্তরা তার সঙ্গে ঝগড়া ও গালিগালাজ করেন এবং ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। এমনকি জমির কাছে গেলে গুরুতর ক্ষতির হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
সামসুল হকের দাবি, ঘটনার সময় বিষয়টি জানতে নেছারাবাদ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলেও অভিযুক্তরা কারও কথা শুনতে রাজি হয়নি।
ভবিষ্যতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করে তিনি প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত মো. মিরাজ অভিযোগগুলো অস্বীকার করে বলেন, জমি নিয়ে সামসুল হকের সঙ্গে তাদের বিরোধ রয়েছে। তবে ইট, টয়লেটের স্লাব ও রিং ভাঙচুর বা তাকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ সত্য নয়। বিষয়টি নিয়ে তিনি আইনগতভাবে মোকাবিলা করবেন বলে জানান।
নেছারাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান বলেন, এ বিষয়ে একটি অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগের সত্যতা ও ঘটনার প্রকৃত কারণ তদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে। তবে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হবে।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









